সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে আমাদের গোলাবারুদ বেশি’ নোয়াখালীতে হেফাজতের মহাসমাবেশ সফল করতে লক্ষ্মীপুরে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভিসা ছাড়া বিশ্বের যে ৩৫ দেশে ভ্রমণ করতে পারবে বাংলাদেশিরা জোট করে উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে হারাতে চান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প পথ নেই: আমিরে মজলিস ‘কওমি সিলেবাসের সংস্কার জরুরি তবে অতি আধুনিকায়ন নয়’ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র: এনএফটিই মুন্সিগঞ্জে চার ঘণ্টার ব্যবধানে নারী ও শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু সুরা মুলক: ফজিলত ও তিলাওয়াতের সময় সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস

দেশে ফিরলেন শহিদুল আলম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশের আলোচিত বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম দেশে ফিরেছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

দেশে ফিরে শহিদুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আমাকে ফিরে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। মনে রাখতে হবে যে গাজার মানুষ এখনো মুক্ত হয়নি। গাজার মানুষ এখনো আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের ওপর এখনো নির্যাতন চলছে। আমাদের কাজ কিন্তু শেষ হয়নি।’

গত ৮ অক্টোবর ফ্রিডম ফ্লোটিলার ‘কনশানস’ জাহাজ থেকে ইসরাইলি দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছিল আলোকচিত্রী ও লেখক ড. শহিদুল আলমকে। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইসরাইলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত কেৎজিয়েত কারাগারে। অবশেষে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। ইসরাইল থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে ৬৯২১ ফ্লাইটে তুরস্কে পৌঁছান এই মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

এরপর টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে শুক্রবার রাতেই তিনি দেশের উদ্দেশে রওয়ানা দেন। তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমানুল হক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন এই কথা।

আজ স্থানীয় সময় সন্ধ্যাই বিমানটি বাংলাদেশের উদ্দেশে তুরস্কের ইস্তাম্বুল ছাড়ে। স্থানীয় সময় ৬টা ৪৫ মিনিট, বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করে। ফ্লাইটটি ঢাকা পৌঁছায় আগামীকাল শনিবার ভোর ৫টার দিকে।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর শহিদুল আলমসহ ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহরের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও জাহাজের নাবিকদের অপহরণ করে আশদোদ বন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ইসরাইলের কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়। ইসরাইলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র কেৎজিয়েত কারাগার নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত। এখানে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয় বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ