শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ অব্যাহত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়ায় খাগড়াছড়ির ইউসুফ জামিলকে বিকেএমের সংবর্ধনা ইরানের সেতু, রেলস্টেশন ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা, হতাহত ১৬ পুনর্বাসন না-হওয়া পর্যন্ত বন্যার্তদের পাশে থাকার আশ্বাস সংস্কার নয়, সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল শনিবার খোলা হবে কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট, ভাটি অঞ্চলে সতর্কবার্তা বাগেরহাটে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ১৫ দিনে ২ শতাধিক রোগী হাসপাতালে নদী ভ্রমণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ৩ কাজী সিকান্দারের কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া লেখক বন্ধুদের সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে তৃণমূলকে তাগিদ আমিরে মজলিসের

শনিবার খোলা হবে কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট, ভাটি অঞ্চলে সতর্কবার্তা


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অন্যান্য এলাকার মতো টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি প্রবাহ বেড়ে গেছে। যে কারণে উজান ও ভাটি এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টার পর যে কোনো সময় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দিয়ে সেকেন্ডে নয় হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃষ্টিপাত, পানির উচ্চতা এবং ইনফ্লোর তারতম্যের ওপর নির্ভর করে স্পিলওয়ে (জলকপাট) খোলার সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া হতে পারে। ইনফ্লো বেশি হলে স্পিলওয়ে গেট খোলার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে পানি ছাড়ার সময় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিচু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দা, নৌযান চালক, জেলে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ১৯৫৬ সালে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের জন্য কর্ণফুলী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর জন্য তৈরি হয় কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদ। ১৯৫৬ সালে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয় এবং এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৬২ সালে।

এ বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি পানি নির্গমন পথ বা স্পিলওয়ে রয়েছে। এ স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে পাঁচ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক ফুট পানি বয়ে যেতে পারে। শুরুর দিকে এর ৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ ও ২ নম্বর ইউনিট স্থাপন করা হয়। ১৯৬৯ সালে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিন নম্বর ইউনিটের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে মোট পাঁচটি ইউনিট চালু আছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ