দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশন, ত্রিপুরার আগরতলাও আসামের গোহাটির পর এবার ভিসা সীমিত করেছে কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। আজ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ব্যবসায়িক ও কর্মসংস্থান ভিসা ছাড়া অন্য সব ধরনের ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ে বাংলাদেশের উপদূতাবাস থেকে ভারতীয়দের পর্যটক সেবা সীমিত করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির দূতাবাস এবং আগরতলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনার অফিস থেকে ভিসা দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছিল। ফলে এখন কেবল গুয়াহাটির অ্যাসিস্ট্যান্ড হাইকমিশনার অফিস থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সূত্র এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। তবে বুধবার থেকে পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যটক ভিসা দেওয়া ‘সীমিত’ করা হলেও বাণিজ্যিক ভিসাসহ অন্যান্য ভিসা চালু রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা ৪টি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে ভাঙচুর করা হয়। সে সময় ঢাকায় ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ হয়। এরপর কয়েকদিন ভারত সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখে।
বিবিসি জানিয়েছে, পরবর্তীতে ভিসা সেন্টারগুলো চালু হলেও ভারত মেডিকেল ভিসা এবং কিছু জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্যান্য ভিসা আপাতত ইস্যু করবে না বলে জানায়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
এনএইচ/