সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার

ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে শত শত ভবন ও ড্রোন ধ্বংস 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ঠিক কতখানি ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে, পেন্টাগনের এক গোপন প্রতিবেদনে তার এক চাঞ্চল্যকর চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। 

এতদিন ওয়াশিংটন সবকিছু আড়াল করার চেষ্টা করলেও, প্রতিরক্ষা বিভাগের ইন্সপেক্টরের সাধারণ কার্যালয়ের এই নথিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির বড় ধরনের বিপর্যয়ের তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত চলা এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র শত শত ভবন ও সামরিক স্থাপনা হারানোর পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বহু যুদ্ধবিমান খুইয়েছে। 

যুদ্ধের এই চার মাসেই শুধু অস্ত্র পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার, আর মোট ব্যয় ছাড়িয়ে গেছে ৩৩ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যতই বলুন না কেন যে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার অফুরন্ত, পেন্টাগনের এই প্রতিবেদনে বরং অস্ত্র ঘাটতি এবং সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের সংকটের কথা স্বীকার করা হয়েছে।

ইরান ও তাদের মিত্রদের লাগাতার হামলায় কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক এবং জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা শত শত অবকাঠামো ধূলিসাৎ হয়েছে। 

হামলায় সরাসরি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন। এছাড়া আকাশে এবং মাটিতে ধ্বংস হওয়া সামরিক যানের তালিকায় রয়েছে এফ-১৫ই ফাইটার জেট, অত্যাধুনিক এফ-৩৫এ স্টিলথ বিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার।

শুধু সামরিক ঘাঁটিয়েই নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাসগুলোতেও দফায় দফায় হামলা হয়েছে। এসব কূটনৈতিক স্থাপনা মেরামত ও সুরক্ষাতেই খরচ হয়েছে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার। 

বর্তমানে হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকা অবস্থায় দুই দেশের এই কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বেশি অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ