।।আব্দুর রউফ আশরাফ।।
আমরা সবাই আত্মসম্মানবোধে সচেতন। নিজের আত্মসম্মানবোধ হারালে কাঁদি। অন্যের আত্মসম্মানবোধ দেখে আফসোস করি। আত্মসম্মান মানুষকে অসচেতন থেকে সচেতন বানায়। আত্মসম্মানি মানুষেরা ভাতের অভাবে মরে না বরং সম্মানের অভাবে মরে। আত্মসম্মান মানুষকে শিকড় থেকে শিখরে নিয়ে যায়। আত্মসম্মান মানুষ কামাই করে তার কর্ম দক্ষতা দিয়ে। আর এ আত্মসম্মান সঞ্চয় করি আমরা সমাজে।
আমরা মানুষ হিসেবে সমাজে বসবাস করি। মানুষের সাথে সমাজের এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান। উচু-নিচু, ধনী-গরিব, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো, ভালো-মন্দের লোকের সমাবেশে সমাজ পরিচালনা হয়। রুচি, ভালো লাগা, মন্দ লাগা, বিবেক-বুদ্ধির ক্ষেত্রে সমাজ ও সমাজের মানুষের ভেদাভেদ। এ প্রভেদ থেকে সম্মান-অসম্মান। মানী-অমানী। সম্মানের বাড়তি কমতি। কেউ সম্মান পায়, কেউ সম্মান পায় না। নিশ্চয় সম্মানী মানুষ অসম্মানী মানুষ থেকে সবদিকে এগিয়ে থাকে। আর এ সম্মানটা মানুষ কি জন্য পায়। ব্যাংক ব্যালেন্স না লোকবল? আসলে এর কোনোটিই না। তাহলে এর পিছনে কোন শক্তি কাজ করে? সমাজে মানুষের সম্মান প্রতিষ্ঠা করতে প্রয়োজন সচেতনতা, বিবেক-বুদ্ধি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এসব।
