বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

শীতে মোজা পরে ঘুম: ডেকে আনছে ৩ অদৃশ্য সমস্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শীত মৌসুম এলেই রাতে শরীর গরম রাখতে অনেকেই পায়ে মোজা পরে ঘুমান। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এই অভ্যাস বেশি দেখা যায়। তবে চিকিৎসকদের মতে, আরামের ভেবে গড়ে ওঠা এই অভ্যাস অজান্তেই ডেকে আনতে পারে একাধিক স্বাস্থ্যঝুঁকি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত মোজা পরে ঘুমালে শরীরে তিনটি প্রধান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রথমত, রক্তসঞ্চালনে বাধা। টাইট বা সিন্থেটিক মোজা দীর্ঘ সময় পরে থাকলে পায়ে রক্ত চলাচল ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে পা ঝিনঝিন করা, পেশিতে ব্যথা এবং দীর্ঘমেয়াদে স্নায়ুজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি।

দ্বিতীয়ত, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। ঘুমের সময় পা ঘামলে মোজার ভেতরে আর্দ্র পরিবেশ তৈরি হয়, যা ফাঙ্গাল ইনফেকশন, চুলকানি, দুর্গন্ধ ও অ্যাথলিটস ফুটের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, রাতে পা খোলা রাখলে ত্বক স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

তৃতীয়ত, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত। ঘুমের সময় শরীর স্বাভাবিকভাবেই তাপমাত্রা কমিয়ে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু মোজা পরে থাকলে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ঘুমের গভীরতা কমে, মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে এবং অনিদ্রা ও ক্লান্তিভাব দেখা দেয়।

তাহলে শীতে করণীয় কী? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, খুব বেশি ঠান্ডা লাগলে ঢিলেঢালা ও সুতি মোজা ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিদিন মোজা বদলানো জরুরি। সম্ভব হলে ঘুমের আগে মোজা খুলে ফেলাই ভালো। পা গরম রাখতে মোজার পরিবর্তে হালকা কম্বল বা লেপ ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকদের আরও পরামর্শ, যদি কারও পায়ে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার সমস্যা থাকে বা রক্তসঞ্চালনজনিত জটিলতা দেখা দেয়, তবে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। 

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ