মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ওপর শুভেন্দু সরকারের নানা বিধি-নিষেধ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি ক্ষমতায় এসেছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি। নানা বিতর্কিত বক্তব্য কর্মকাণ্ডে আলোচনায় থাকা শুভেন্দু অধিকারী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় এসেই বিজেপি ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশু কোরবানি ও জবাইসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়া গরু, ষাঁড়, বলদ, মহিষ ও বাছুর কোরবানি করা যাবে না। একই সঙ্গে উন্মুক্ত বা জনসম্মুখে পশু জবাইয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কোরবানির জন্য পশু উপযুক্ত কি না—সেই বিষয়ে স্থানীয় পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সঙ্গে সরকারি ভেটেরিনারি সার্জনের যৌথ সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সনদে উল্লেখ থাকতে হবে, পশুটি ১৪ বছরের বেশি বয়সী অথবা কাজ ও প্রজননের অযোগ্য।

সরকারি নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত কসাইখানা বা প্রশাসন অনুমোদিত স্থানের বাইরে পশু জবাই করা যাবে না। খোলা জায়গা, রাস্তা কিংবা জনসমাগমস্থলে কোরবানি দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০ এবং কলকাতা হাইকোর্টের ২০১৮ সালের নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। আইন ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। অপরাধগুলোকে আমলযোগ্য হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে প্রশাসন জানিয়েছে, কোরবানি ঈদ উপলক্ষে অবৈধ গবাদিপশু বাণিজ্য, অননুমোদিত কসাইখানা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ