শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম সৌদি আরবে দেয়াল চাপা পড়ে বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু মুন্সিগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: যারা থাকছেন, যা থাকছে আলোচ্যসূচিতে... ‘হাসিনা অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী’

বিরোধী দল কারা হবে? যা বললেন ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে আওয়ামী লীগ। সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি পেয়েছেন মাত্র ১১ আসন। ফলাফল ঘোষণার পর থেকে আলোচনায় কারা হবে দ্বাদশ সংসদের বিরোধী দল?

সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে।

জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের রেজাল্ট অফিসিয়ালি ঘোষণা হওয়ার পর বিরোধী দল কারা? অলরেডি বিরোধী দল জাতীয় পার্টির অনেকেই জিতেছেন, চৌদ্দ দলেরও দুজনের মতো জিতেছে। এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তো দূরে নয়। যিনি হাউজ অব দ্যা লিডার হবেন তিনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী, নতুন লিডার অব দ্যা হাউজ পরিস্থিতি বাস্তবতা, করণীয়... অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জনগণের প্রতিনিধি। তারা নির্বাচিত। এই নির্বাচিত সদস্য হিসেবেই সংসদে বসবেন, তাদের ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া অন্য কিছু এই মুহূর্তে ভাববার অবকাশ নেই।

২৯৯ আসনের মধ্যে ২২৩টি একা একটা রাজনৈতিক দল জিতেছে। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী কত? অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন, আওয়ামী লীগের চেয়ে স্বতন্ত্রই জিতবে বেশি। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগই। ২২৩ জন রুলিং পার্টি থেকে জেতা এটা তো একটা পজিটিভ বাস্তবতা।’

কাদেরকে নিয়ে বিরোধী দল করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পদ্ধতিটা আমি কেন আপনাকে বলবো? এটা নতুন সরকার বসুক। সংশ্লিষ্ট যারা আছে তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন। বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের নিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এটা স্বীকৃতির জন্য নয়, আন্তর্জাতিক বিশ্ব আমাদের ইলেকশনটা কেমন হয় জানতে চায়? আমরা বলেছি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন ইলেকশন কন্ডাক্ট করবে। আমাদের এই কথার সঙ্গে কাজের মিল আছে কি না, গণতান্ত্রিক বিশ্ব সেটা প্রত্যক্ষ করুক সেজন্য আমরা এটা করেছি।

বিএনপির আন্দোলন নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কি বলেছে সেটার ওপর তো দেশ চলে না। বিএনপি যেটা বলেছে সে অনুযায়ী তাদের আন্দোলন করে সরকার হটানো, এটা তো তারা পারেনি করতে। এই নির্বাচনকে হতে দেওয়া যাবে না, এই কথাও তারা বলেছে। নির্বাচন শুধু হতে দেওয়া নয়, নির্বাচন হতে দেবে না, প্রতিহত করবে; সবই তো বলেছে। কোনটা সত্য হলো, বলুন?

 এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ