|| মুফতি শামসুদ্দীন জিয়া ||
আমাদের শরহে তাহজিব পড়ানোর সময় ফকিহুল মিল্লাত রহ. হজ্বের সফরে গিয়েছিলেন। সফর থেকে ফেরার পর তিনি আমাদের দিয়ে যাওয়া সবক শুনতে চাইলেন। উপস্থিত ছাত্রদের মধ্যে অনেকেই শোনাতে পারল কেউ আবার শোনাতে পারল না। কেউ আংশিক বলল কেউ বলতে পারলো না। তখনকার সময়ে আমাদের ছাত্রদের মাঝে শরাহ শরুহাত মুতালা করার অনেক বেশি আগ্রহ ছিল। যখন আমার পড়া শোনানোর সিরিয়াল আসলো তখন আমি হুজুর যেই শরাহগুলো মুতালা করে এসে আমাদের সবক পড়িয়েছিলেন, আমি তার থেকে কিছু অতিরিক্ত শরাহ মুতালা করে এসে পড়া শুনিয়েছিলাম। এর মাধ্যমে আমার প্রতি হুজুরের নেক দৃষ্টি পরে।
ক্লাস শেষে হাফেজ ওবায়দুল্লাহ নামে আমার এক সহপাঠী আমাকে এসে বল্লেন, হুজুর তোমাকে ডাকছেন। আমি হুজুরের সেই কামরায় গেলাম। এখানে মেহমানদের জন্য চা ও বেলা বিস্কুট-এর ব্যবস্থা ছিল। হুজুর আমাকে বললেন, আমার এখানে চা আর বেলা বিস্কুট-এর ব্যবস্থা আছে তুমি যখন চাও আসরের পর এসে খেতে পারো। এখান থেকে হুজুরের সাথে আমার সম্পর্ক ও গভীরতা শুরু হয়।
তখনকার সময়ে মাওলানা আমিনুল হক ছাত্রদের পরীক্ষার খাতা দেখতেন। খাতা দেখতে গিয়ে তিনি একবার দেখলেন পুরাতন ছাত্রদের তুলনায় আমি অনেক বেশি নাম্বার পেয়ে গেছি। তখন তার সন্দেহ হল, আমি হয়তোবা নকল করেছি। তিনি বিষয়টি ফকিহুল মিল্লাত রহ.কে জানালেন। হুজুর বললেন, ছাত্রের নাম কী? তখনকার সময়ে খাতার উপরে ছাত্রদের নাম লেখা থাকতো। আমার নাম জানানো হলে হুজুর বললেন, এই ছেলে নকল করেনি, তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন এবং বিষয়টি আরো যাচাই করেন। আমাকে ডেকà