|| যুবায়ের আহমাদ ||
ঘটনা ১: ঈদের জামাত শেষে কমিটির এক প্রতিনিধি দাঁড়ালেন। জিজ্ঞেস করলেন, রুমাল কোনটা আগে চলবে? হুজুরেরটা নাকি মসজিদেরটা। তার ধারণা ছিল, লোকেরা বলবে, মসজিদেরটা। আর মসজিদের রুমালটা আগে চালালে তাতে টাকা বেশি হবে। দরকার তো মসজিদের। ইমামেরটাতে বেশি হবে কেন? কিন্তু মুসল্লিরা বললেন, 'ইমাম সাহেবেরটা'। ইমামের রুমালে টাকা আসল ১২ হাজার আর মসজিদের রুমালে ১০ হাজার। কমিটির মন খারাপ। মসজিদের রুমালটা আগে চালাতে পারলে ২ হাজার টাকা বাড়ত। অথচ কমিটির কেউ দাঁড়িয়ে মানুষকে উৎসাহিত করেননি। বলেনি, আজ হাতখুলে দুটোতেই দান করব। ইমাম সাহেব শুধু মসজিদে দানের ফজিলত বললেন, নিজেকে দেবার কথা একটুও বললেন না।
বাংলাদেশের অনেক মসজিদেরই কমিটির মন এখনো অনেক সংকীর্ণ৷ সারাবছর যে ইমাম মসজিদের তহবিল বাড়াতে মনপ্রাণ উজাড় করে চেষ্টা করেন, তার জন্য ঈদের দিনেও একটু ছাড় দিতে পারে না৷ ঈদের দিনেও মসজিদের রুমাল চালাতেই হবে!
আচ্ছা, চালানো হোক, কিন্তু ইমাম সাহেবের রুমালটা আগে চললে মসজিদের টাকা কমে যাবে এ সংকীর্ণ চিন্তা কেন আসবে? তা আগেই চলুক মসজিদেরটা। একজন তো একটু দরদ নিয়ে দাঁড়িয়ে ইমামের অবদান, আন্তরিকতা ও তার প্রতি কর্তব্য বলতে পারেন। তা না করে ইমামের টাকা একটু বাড়লে কমিটির মন খারাপ হয়ে যায়। তাদের ধারণা, ইমাম সাহেবের এতটাকা লাগবে কেন? তাকে বেতন দিয়েছি ৮ হাজার, বোনাস ৪ হাজার, তারাবিহর ৫ হাজার। মোট ১৭ হাজার টà¦