রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলা গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় আশরাফ মাহদীর তীব্র নিন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইনজামামুল হক

আজ মানিক মিয়া এভিনিউতে দেয়া জুলাই ঘোষণাপত্রে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর গণহত্যার কথা উল্লেখ না থাকায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদি।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘোষণাপত্রকে “অসম্পূর্ণ” আখ্যা দেন। আশরাফ মাহদি বলেন, “শাপলা না হলে ২৪ এর প্রেক্ষাপট তৈরী হত না। ফ্যাসিবাদের পদধ্বনির বিরুদ্ধে প্রথম লড়াই হয়েছিল শাপলায়।”

তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শাপলার আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং শাপলায় নিহতদের বিচার চেয়েছে। অথচ আজকের ঘোষণাপত্রে সেই রক্তঝরা অধ্যায়ের কোনো উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, “শাপলায় আমার ভাইদের রক্তকে যে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিতে পারেনা, সে রাষ্ট্র এখনো ফ্যাসিবাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারেনি।” আশরাফ মাহদির মতে, কালচারাল ফ্যাসিবাদ এখনও সমাজের ওপর সওয়ার।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও মাদরাসার ছাত্রদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে চব্বিশের লড়াইয়ে শতাধিক আলেম ও মাদরাসা শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। তাই তাদের অবদানের স্বীকৃতি ছাড়া কোনো ঘোষণাপত্র পূর্ণতা পেতে পারে না।

তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ