সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

কাদেরবিরোধীদের কাউন্সিল আজ, আবার ভাঙনের পথে জাতীয় পার্টি


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার পর ষষ্ঠবারের মতো ভাঙনের মুখে জাতীয় পার্টি (জাপা)। চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বিরোধীরা আজ শনিবার পৃথক কাউন্সিল আহ্বান করেছেন। তবে কাদেরপন্থি মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এ কাউন্সিলকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন।

১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাপা তাঁর জীবদ্দশায় চারবার ভাঙে। ২০১৯ সালে কাদেরের নেতৃত্বে আসার পর দলটি আরও একবার বিভক্ত হয়। সর্বশেষ গত বছরের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর রওশন এরশাদপন্থিরা পৃথক দল গঠন করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর কাদের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করলেও ছাত্র নেতৃত্বের আপত্তিতে সরকারি বৈঠক থেকে জাপা বাদ পড়ে। এরপর আওয়ামী লীগপন্থি নেতারা দলীয় গঠনতন্ত্রের ধারা সংশোধনের দাবি তোলেন।

কাদেরপন্থি নেতৃত্ব ২৮ জুন কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিলেও ভেন্যু সংকটের অজুহাতে তা স্থগিত করেন চেয়ারম্যান। এর পর চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণাকারী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব পদপ্রত্যাশী রুহুল আমিন হাওলাদারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হলে চেয়ারম্যানের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নিজেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাবি করে বলেন, এই কাউন্সিল ভাঙন নয়, বরং ঐক্য ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। গঠনতন্ত্রের বিতর্কিত ধারা বাতিল ও যৌথ নেতৃত্বে জাপা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। মুজিবুল হক চুন্নু ও রুহুল আমিন হাওলাদারও এই উদ্যোগে যুক্ত আছেন।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বহিষ্কৃত নেতারা কাউন্সিল আহ্বান করতে পারেন না; আদালত তাদের বিষয়ে কোনো বাতিলাদেশ দেননি। তাঁর মতে, অতীতে যারা দল ভেঙেছে, তারা খুব ছোট আকারে টিকে থেকেছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দেশে এখনো পরিবেশ নেই; সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা দেখা গেলে তবেই জাপা অংশ নেবে।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ