শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

দেশ ও মানুষের স্বার্থে মানবাধিকার অধ্যাদেশটি অনুমোদন করুন: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান শনিবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার গত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মানবাধিকার অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ফলে নির্দিষ্ট সময় পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধ্যাদেশটি লোপ পেয়ে যাবে। অধ্যাদেশটি অনুমোদন না করার যেসকল কারণ আইন মন্ত্রণালয় থেকে দেখানো হয়েছে তাতে মানবাধিকার কমিশনের ওপরে নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব আরোপের অভিলাসই বেশি প্রতিয়মান হয়েছে। ধারা ৩(২) এ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধিনে না থাকার বিষয়ে আপত্তি তুলে কমিশনকে  আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সঙ্গে প্রশাসনিকভাবে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট। মানবাধিকার কমিশন যদি সরকারি কোনো বিভাগের সাথে প্রশাসনিকভাবে সংযুক্ত থাকে তাহলে তারা সরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে না; করলেও তাতে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। ফলে এই আপত্তি আমলে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, এছাড়াও ধারা-৭ এ বাছাই কমিটিতে আরো বেশি নির্বাহী প্রতিনিধির দাবী করা হয়েছে, ধারা-৮ কমিশনের প্রতিটি পদের জন্য দুইটি করে নাম প্রস্তাব করা, ধারা-১৩ এ নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের আগে সরকারের পুর্বানুমতি নেয়া এবং ধারা-১৬ এ গ্রেফতারের পু্র্বে আদালতের আগে সরকারের অনুমতির দাবী করে অধ্যাদেশটিকে লোপ করতে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের আপত্তিগুলোর সারাংশ হলো, মানবাধিকার কশিমনের ওপরে নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু মানবাধিকার সংক্রান্ত বিশ্বের সকল চুক্তি, প্রটোকল ও সনদ; (যার অনেকগুলোকে বাংলাদেশ সাক্ষরও করেছে) এ মানবাধিকার কমিশনের ওপরে সরকারের কর্তৃত্ব কমানোর ব্যাপারে জোড় দেয়। বর্তমান সরকার যদি এসব আপত্তি আমলে নিয়ে এই অধ্যাদেশটি লোপ করে দেয় তাহলে বৈশ্বিক মানদণ্ডেও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ করবো, মানবাধিকার অধ্যাদেশ ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করিয়ে নিন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সরাসরি শিকার যে দল সেই দল ক্ষমতাসীন হয়েই নিজেরাও গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ খুঁজছে এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্য কঠিন। আমরা বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি সৎ ধারণা পোষণ করতে চাই। তাই বলবো, কারো চাপে বা কারো স্বার্থের দিকে না তাকিয়ে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিন। মানবাধিকার ও গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করিয়ে নিন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ