সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

কোটি মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় ভাড়া নির্ধারণের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ফাইল ছবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বলেছেন, তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পরিবহন খাতসহ নানা খাতে যে অরাজকতার আশঙ্কা আমরা বারংবার করেছি তা শুরু হয়েছে। পরিবহন খাতে অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দৃঢ়তার সাথে দাবি জানাচ্ছে যে, তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যদি ভাড়া সমন্বয় করতেই হয় তাহলে তা যাত্রীস্বার্থ বিবেচনায় করতে হবে। পরিবহনের যে সকল শর্ত পরিপালন করার কথা তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এবং অবশ্যই তেলের দাম কমার সাথে সাথেই ভাড়া কমানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ভাড়া পুননির্ধারণ করার জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে সেখানে মালিকপক্ষের চারজন রয়েছে। সরকারী কর্মকর্তা রয়েছে ছয়জন আর যাত্রীদের পক্ষে একজন। বাংলাদেশে সরকারী কর্মকর্তাদের চরিত্র যারা জানেন তারা সহজেই বুঝতে পারবে যে, এখানে মালিকপক্ষের লোক আদতে ১০ জন। আর যাত্রীদের পক্ষে মাত্র একজন। ভাড়া নির্ধারণেও এর প্রতিফলন দেখা গেছে। তেলের দাম বৃদ্ধির অনুপাতে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া বৃদ্ধি হওয়ার কথা ১৫ পয়সা, কিন্তু মালিকপক্ষের দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে ২২ পয়সা করে। দৃশ্যতা ৭ পয়সার পার্থক্য দেখা গেলেও আদতে এটা হাজার কোটি টাকার প্রশ্ন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, ভাড়া ১৫ পয়সার বেশি এক পয়সাও বাড়ানো যাবে না। কারণ ভাড়াবৃদ্ধির ক্ষেত্রে যে বারোটি বিষয়কে বিবেচনা করা হয়েছে সেগুলোর একটাও বাস মালিকপক্ষ প্রতিপালন করে না। তারা প্রতি বছর ইঞ্জিন ওভারহোলিং করা হয় না, প্রতি পচিঁশ দিনে একবার ও তিন মাসে বড় ধরণের রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না, বাসগুলো গ্যারেজে রাখা হয় না এবং বাসগুলো দশবছরের হিসেব করা হলেও অধিকাংশ বাসই ২০ বছরের অধিককাল চলাচল করে। নতুন বাসের দাম হিসাব করা হলেও অধিকাংশ বাসই পুরোনো ও লক্করঝক্কর। ফলে বাসভাড়া বৃদ্ধির জন্য তাদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো তখনই বিবেচনায় নেয়া যাবে যখন তারা সেই বিষয়গুলো পরিপালন করবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, সরকার যদি পরিবহনখাতের মালিকদের কথা মেনে কোটি কোটি জনতার স্বার্থকে উপেক্ষা করে তাহলে এর পরিনতি সরকারকেই বহন করতে হবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ