বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৩ সফর ১৪৪৮


সফলভাবে সম্পন্ন হলো ৭ দিনব্যাপী ‘তাহকীকুন নুসূস’ কোর্স ও সনদ বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত মারকাযুল ফাতাওয়া আল-ইসলামিয়া, ঢাকা এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুলভিত্তিক দারুল মাখতূতাত-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী ‘তাহকীকুন নুসূস’ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জামেয়া আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ-এর স্থায়ী ক্যাম্পাসের বকুলতলা (কে ব্লক) প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গত ২ আগস্ট শুরু হওয়া এ বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত এবং মিসর ও তুরস্কের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকসহ ৫০ জনের বেশি বাছাইকৃত আলেম ও গবেষক অংশগ্রহণ করেন। সাত দিনের এ কর্মশালায় প্রাচীন ইসলামী পাণ্ডুলিপি গবেষণা ও তাহকীকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা এবং হাতে-কলমে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণে তা'লীক (টীকাকরণ), তাখরিজুন নুসূস (উদ্ধৃতি ও উৎসনির্ণয়), দিরাসা (ভূমিকা ও পাঠসমীক্ষা), ফাহরাসা (সূচি প্রণয়ন) এবং আলাকাতুন নুসূস (পাঠসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ) বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামিয়াতুন নূর আল-আলামিয়া আল-ইসলামিয়া, চট্টগ্রাম-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা ওবায়দুল্লাহ হামযা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া-এর সাবেক অধ্যাপক অধ্যাপক এ. বি. এম. হিজবুল্লাহ এবং মাদরাসাতুল হুদা, ঢাকা-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা আবদুর রাজ্জাক নদভী।

অনুষ্ঠানে কোর্স সফলভাবে সম্পন্নকারী প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রশিক্ষক—দারুল মাখতূতাত (ইস্তাম্বুল) এবং আলেপ্পোর দারুল ফুকাহা ও দারুল ইরফানের মহাপরিচালক ড. মাহমুদ মাসরি এবং দারুল মাখতূতাতের নির্বাহী পরিচালক ও মা'হাদুল মাখতূতাতিল আরাবিয়্যার (মিসর)-এর সাবেক মহাপরিচালক ড. ফায়সাল হাফয়ান-কে বিশেষ প্রশিক্ষক সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এরপর দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় মারকাযুল ফাতাওয়া আল-ইসলামিয়া-র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া (হাফিযাহুল্লাহ) দেশের উলামায়ে কেরাম, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও আগ্রহী সুধীজনকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানান।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে তাহকীক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং প্রাচীন ইসলামী পাণ্ডুলিপি নিয়ে দক্ষ গবেষক তৈরির লক্ষ্যেই এ ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ