শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

১০১ বছর বয়সেও ১৭তম সন্তান জন্ম দিলেন বৃদ্ধা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

mother20160820182020আওয়ার ইসলাম : ১০১ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে রীতিমত আলোচনার জন্ম দিলেন এক বৃদ্ধা। চামড়া ঝুলে গেছে, শরীর ভঙ্গুর। এই বয়সে যেখানে নিজের দেখভাল করতেই সক্ষম নন কেউ সেই বয়সে ইতালির আনাতোলিয়া ভার্তাদেলার কোল আলো করে এলো ফুটফুটে পুত্রসন্তান। তবে ওভারি ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে মা হয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন শতায়ু এই বৃদ্ধা।

ইউরোপীয় আইন অনুযায়ী ওভারি ট্রান্সপ্লান্ট বেআইনি। তবে আনাতোলিয়া জানিয়েছেন, তুরস্কের এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি তার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তুরস্কে ওভারি ট্রান্সপ্লান্ট বৈধ। তবে যেখানে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই ক্লিনিকের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি।

তিনি বলেন, যারা আমার অস্ত্রোপচার করেছেন সেই চিকিৎসকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এতদিন ধরে আমার ভগবানের কাছে নিজেকে অপ্রয়োজনীয় মনে হতো। ৪৮ বছর বয়সে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে আমি আর সন্তানের জন্ম দিতে পারিনি। মাঝে মাঝে ভাবতাম মাত্র ১৬টি সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য ভগবান আমাকে শাস্তি দিচ্ছেন। কিন্তু ভগবানের কৃপায় আবারও আমি মা হতে পারলাম। ১৭তম সন্তান এল আমার কোলে। কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন আনাতোলিয়া।

তার চিকিৎসক আলেক্সান্দ্রো পোপোলিচি জানান, তিনি ফুটফুটে এক শিশুর জন্ম দিয়েছেন। অবশ্যই এটা ভগবানের উপহার। তুরস্কে এই অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ আইনি এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই তার অস্ত্রোপচার করেছেন। এই বয়সেও তার স্বাস্থ্য বেশ ভালো। আশা করছি আরও বেশ কিছু বছর বেঁচে থাকবেন তিনি।

১৯৯৮ সালে আনাতোলিয়ার স্বামী মারা যান। ইন্টারনেটে শুক্রাণুদাতা খুঁজতে গিয়ে ২৬ বছরের এক ক্যাথলিক যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ হয় এই বৃদ্ধার। এটাই তার কাছে যথেষ্ট ছিল। তিনি শুধু চেয়েছিলাম তার সন্তানকে যেন ক্যাথলিক চার্চ গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, তিনি তার সন্তান ফ্রান্সেস্কোর বাবাকে বিয়ে করেননি। তার সন্তানের জীবনেও ওই যুবকের কোনো ভূমিকা থাকবে না। এই কথা তিনি পোপকে লিখে জানিয়েছিলাম। পোপের নামানুসারে সন্তানের নামও রেখেছেন। তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস, পোপ আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। এখনও আমি আমার মৃত স্বামীকে ভালোবাসি। যত দিন বাঁচবো তার বিধবা হয়েই বাঁচতে চাই। সদ্যজাতকে বুকে জড়িয়ে কথাগুলো বলে যাচ্ছিলেন সবচেয়ে বয়স্ক ওই মা।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বয়সে মা হওয়ার রেকর্ড করেছেন আনাতোলিয়া। এত দিন এই রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মালেগওয়ালে রামোকগোপা। ৯২ বছর বয়সে সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন ওই নারী। তার সেই রেকর্ড ভাঙলেন ১০১ বছর বয়সী আনাতোলিয়া।

ওএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ