সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

মুক্তিযুদ্ধের আলেম বন্ধু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

madani4তানজিল আমির: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিদেশী বন্ধুদের অবদান কম নয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাদের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতা আমাদের মুক্তিসংগ্রামকে ফুটিয়ে তুলেছে বিশ্বময়। ভারত পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় অনেক আলেমও রয়েছেন এ বিদেশী বন্ধুদের তালিকায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতন, নৃশংস গণহত্যা দেখে নিশ্চুপ বসে থাকতে পারেননি তারা। মুক্তিপাগল বীর সেনানীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা। অথচ এক অজানা কারণে আজকের তরুণ প্রজন্ম এ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। ১৯৭১ সালে এ দেশের নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর পাক বাহিনীর জুলুম-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রাণ-পুরুষ সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানীর (র.) সাহেবজাদা জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল ও ভারতীয় পার্লামেন্টের লোকসভার সদস্য হজরত আসআদ মাদানী (র.)। তাদের গণনির্যাতন বন্ধে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধের সময় বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে বিশেষ করে তার নেতৃত্বে কলকাতায় যে সভা ও সেমিনারগুলো অনুষ্ঠিত হয়, সে ইতিহাস আজও ভাস্বর হয়ে আছে। ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ভারতের মুসলমান সমাজে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রবল জনমত গঠনের কাজ করেন মাওলানা আসআদ মাদানী। রাজধানী দিল্লিতে বিশাল মহাসমাবেশসহ ভারতজুড়ে প্রায় ৩০০টি সমাবেশ করেন তিনি। শরণার্থী শিবিরগুলোতে তার অপরিসীম সহযোগিতা ও দেখাশোনা, গণনির্যাতন বন্ধ করার জন্য তার বিরামহীন দুঃসাহসী ভূমিকা এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বাধিকার প্রাপ্তিতে তার অবদান স্বাভাবিকভাবে তাকে স্বাধীনতার অন্যতম কাণ্ডারী দূতের মহিমা দিয়েছে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের একপর্যায়ে পাক-হানাদার বাহিনীর সহায়তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ দেশে দমন-পীড়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যখন কুখ্যাত সপ্তম নৌবহর এ উপমাহাদেশে যাত্রা করে, তখন মাওলানা আসআদ মাদানী (র.) পঞ্চাশ হাজারেরও অধিক মুসলমানদের নিয়ে দিল্লির রাজপথে মিছিল করেন এবং তার নেতৃত্বে মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও করা হয়। তিনি ছিলেন ভারতের মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল। ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল ও ১৮ আগস্ট কলকাতার মুসলিম ইন্সটিটিউট হলে আয়োজিত জমিয়তের কনভেশন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে দু’দফায় দুটি রেজুলেশন পাস করেন তিনি। এছাড়া মাওলানা আসআদ মাদানী (র.) পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা এলাকায় বাংলাদেশীদের জন্য শরণার্থী শিবিরের ব্যবস্থা করেন এবং জমিয়তের পক্ষ থেকে নিয়মিত রিলিফ বিতরণের ব্যবস্থা করেন। (সূত্র, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের ভূমিকা)

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কিছু অদূরদর্শী বিভ্রান্ত মুসলমান ধর্মের নামà§