শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভ‌রিতে সোনার দাম কমলো ৭১১৫ হাজার টাকা মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস

রোহিঙ্গা গণহত্যা-নির্যাতনের প্রমাণ পায়নি মিয়ানমারের তদন্ত কমিশন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rohinga17আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডুতে কোন ধরনের গণহত্যা বা ধর্মীয় নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পায়নি দেশটির সরকার কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিশন।সংবাদ বিবিসির।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের পুলিশী নির্যাতনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর চার পুলিশ কর্মকর্তাকে আটকের ঘটনার একদিন পর তদন্ত কমিশনের রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, "মংডুর বাঙ্গালি অধিবাসীদের সংখ্যা, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাই প্রমাণ করে সেখানে কোন গণহত্যা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটেনি"।

কমিশন বলছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর তাদের জানিয়েছে যে দায়িত্বে থাকা কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অবৈধ আটক, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ সেগুলোর বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।

ধর্ষণের বিষয়ে তদন্তের সময় গ্রামবাসী ও স্থানীয় নারীদের সাথে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পায়নি বলে ওই রিপোর্টে দাবি করেছে তদন্ত কমিশন।

আর অগ্নিসংযোগ, অবৈধ আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ এখনো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত অক্টোবরে রাখাইনে বিরুদ্ধে সেনা অভিযানে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় বহু রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় এবং প্রাণ বাঁচাতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

যদিও মিয়ানমারের তরফ থেকে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

জাতিসংঘ-সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই এসব ঘটনায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ভূমিকার তীব্র সমালোচনাও করেছে।

এমন পটভূমিতে অভিযোগ গুলো তদন্তের ঘোষণা আসে মিয়ানমারের দিক থেকে তবে এ তদন্ত কমিশন নিয়েও বিতর্ক হয়েছে, কারণ তদন্ত কমিশনের প্রধান করা হয়েছে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা যাকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছে।

ডিএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ