শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা করেছিলেন মুসলিম নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এবং মিশন তেলেঙ্গানার এক গবেষণায় জানা যায়, ভারতীয় জাতীয় পতাকার রুপ দিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের এক মুসলিম নারী। খবর টিডিএন বাংলার

ওই গবেষণায় জানা যায়, বর্তমান ভারতীয় জাতীয় পতাকাটি স্বাধীনতার কয়েক দশক ধরে প্রবর্তিত হলেও এটির চিত্তাকর্ষক ও সৌন্দর্য দিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের এক মুসলিম নারী। বদরুদ্দীন তায়বজীর স্ত্রী সুরাইয়া তায়বজী  (১৯১৯-১৯৭৮)  তিনিই সর্বপ্রথম ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা করেছিলেন। তার এই অবিশ্বাস্য অবদানই আজ ভারতের জাতীয় পতাকার রুপ।

অন্যদিকে, ইংরেজ ইতিহাসবিদ ট্রেভর রাইলের লেখা ‘দ্যা লাস্ট ডেইস অফ দ্য রাজ’ গ্রন্থটিতেেএই কথারই উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে লেখা হয়,  ১৯৪৭ সালে মন্ত্রী কার্যালয়ে আইসিএস কর্মকর্তা এবং হায়দ্রাবাদের স্যার আকবর হায়দারির ভাতিজা বদরুদ্দীন তায়বজীর স্ত্রী সুরাইয়া তায়বজী ভোরতের চূড়ান্ত জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে ১৭ জুলাই এ নকশা অনুমোদন করা হয় এবং গান্ধীজির ব্যবহৃত চরখাটিও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য, প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী ভারতের জাতীয় পতাকার তিনটি রং রয়েছে ১৯২১ সালে যার নকশা করেছিলেন  পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। এই গবেষণা প্রকাশ পাওয়ার পর তা মিথ্যা বলে দাবি করছে  নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আরএম

যে কারণে পাকিস্তান ইসলামি রাষ্ট্র হয়ে উঠলো না


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ