বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামায়াত জোটের সংবাদ সম্মেলনে যাচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন  প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জমিয়তের আলেম-উলামাসহ সব ধর্মের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ: শামা ওবায়েদ মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে ইসির শোকজ সীমান্তের কোল ঘেঁষে শিশুর দেশপ্রেমী গান, নেটদুনিয়ায় তোলপাড় বিক্ষোভে প্রায় ২০০০ নিহত, দাবি ইরানি কর্মকর্তার নিকাব নিয়ে কটূক্তিকারীর শাস্তি না হলে ধরে নেব বিএনপি এই বক্তব্য ধারণ করে দুইটি মামলায় খালাস পেলেন আখতার হোসেন সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন ‘রুমিন ব্যারিকেড’ ডিঙ্গাতে পারবেন কি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব?

৭০ বছর ধরে বিনা মূল্যে খাবার খাওয়াচ্ছে যে তুর্কি হোটেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : বছরের বিশেষ দিনে অনেকেই বিশেষ আতিথেয়তার ব্যবস্থা করে থাকেন। খাবার খাওয়ান অসহায় মানুষকে। কিন্তু তা যদি হয় সারা বছর এবং ৭০ বছর ধরে? অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করবেন না এমন খবর। কিন্তু তুরস্কের পূর্বাঞ্চলের আনতোলিয়া শহরে রয়েছে এমন একটি হোটেল যা ৭০ বছর ধরে মানুষকে ফ্রি খাবার খাওয়াচ্ছে।

আনাতোলিয়া শহরের বাসিন্দাদের কেউ অর্থের অভাবে খাবার কিনতে না পারলে হাজির হন সে হোটেলে এবং তাকে পরিবেশন করা হয় ফ্রি খাবার। এমনকি কেউ ইচ্ছে করলে প্রতিদিনই খাবার খেতে পারেন সেখানে।

আর সে হোটেলের নাম 'মার্কেজ রেস্টুরেন্ট'। হোটেলটির মালিকপক্ষ বংশ পরম্পরায় গরিবদের জন্য এ সুবিধা চালু রেখেছেন।  এর বর্তমান মালিক মহেমেত ওজতুর্ক।

৫৫ বছর বয়সী ওজতুর্ক বর্তমানে হোটেলটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বলেন, আমার হোটেলে প্রচুর ভিড় থাকে।  সে কারণে আমি তিনটি টেবিল রিজার্ভ করে রাখি। ওই তিনটি টেবিলে শুধুমাত্র গরিবদের ফ্রি খাবার দেয়া হয়।

ওজতুর্ক বলেন, প্রতিদিন অন্তত ১৫ জনকে তিনি ফ্রি খাওয়ান। ২৮ হাজার বাসিন্দার এ শহরে প্রতিদিন অন্তত ১০০ মানুষ ফ্রি খায় বলে জানান স্থানীয়রা।

অর্থের অভাবে প্রায়ই বিনামূল্যে খেতে আসা এমন একজন গালিব।  তিনি বলেন, বিনামূল্যে খেতে দেয় বলে সেটা পচা, নষ্ট বা নিম্নমানের খাবার না। আমি বিনামূল্যে কাবাব, মুরগির মাংস, স্যুপ, ভাত এবং  সালাদ খাই।

ওজতুর্ক বলেন, আমাদের এই ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। আমি প্রায় ৭০ বছর আগের ঘটনা জানি।  তখনও এভাবে খাবার দেয়া হতো। আমরা আমাদের বড়দের থেকে এটা শিখেছি।

১৯৪০ সালে রেস্টুরেন্টটি চালু হয় বলে জানান স্থানীয়রা।  এটি ছিল শহরের প্রথম হোটেল। হোটেলের তখনকার মালিক বিনামূল্যে খাবার খাওয়াতে শুরু করেন।

এর পরপরই আরও কয়েকটি হোটেল চালু হয়। তারাও বিনামূল্যে খাবার খাওয়াতো।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ