বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি কাঁদলেন, কারণ তিনি চেয়েছিলেন ঐক্য নেতাকর্মীদের অপ্রীতিকর কিছুতে না জড়াতে বললেন জামায়াত আমির

ইস্তাম্বুলে চলছে আন্তর্জাতিক বইমেলা, আরবি বইয়ের উপস্থিতি বেড়েছে ৮৮%

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুজাহিদুল ইসলাম
অনুবাদক, আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চলছে ৩৭তম আন্তর্জাতিক বইমেলা। ইস্তাম্বুলের পশ্চিমে একটি সম্মেলনকেন্দ্রে এ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

গত শনিবার (৪ নভেম্বর) শুরু হওয়া বইমেলা চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

তুর্কি প্রকাশকসংস্হা ও তোয়াব বইমেলার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ-মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রকাশকগণ অংশগ্রহন করেছেন। এবার মেলার প্রতিপাদ্য ‘সাহিত্য, তোমার আলিঙ্গনে ধন্য মোরা’।

অতিথি দেশহিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া মেলায় অংশ নিয়েছে। মেলার অংশ হিসেবে কোরিয়া ও তুরস্কে বইবাজার সম্প্রসারণের নিয়েও আলোচনা হবে।


দক্ষিণ কোরিয়ার স্টল

তুর্কি শিক্ষা-উপকরণের প্রসারসংক্রান্ত আলোচনায় ফিনল্যান্ড, সিংগাপুর ও এস্তোনিয়া এর প্রকাশনা সেক্টরের প্রতিনিধিরাও অংশ নিবে।

অন্যদিকে জার্মানির প্রকাশকরা ‘স্বাধীন গ্রন্হাগার প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি ও পাঠসংষ্কৃতি উন্নয়ন’ বিষয়ক একটি সভায় অংশ নিবেন।

আশা করা যাচ্ছে, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্হার পাশাপাশি দেশবিদেশের ৮৫০ এর বেশি প্রকাশনাসংস্হা অংশ নিবে।

অপরদিকে বইমেলার ৯ দিন জুড়েই বাচ্চাদের পেইন্টিং, কবিতাবৃত্তি, মতবিনিময় ও কর্মশালায় দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক, সাহিত্যিক শিল্পী ও শিশু শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবে।

দেশের প্রকাশনা সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা বৃদ্ধি, প্রকাশনা সেক্টরের উন্নয়ন ও চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধের জন্য সচেতনতামূলক অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বইমেলায়।

তুরষ্ককে আন্তর্জাতিক প্রকাশনার একটি কেন্দ্র বানানোর ঘোষনা দিয়ে ১৯৮৫ সালে এ-প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০১৬ সালে ৬ লাখের বেশি দর্শনার্থী এসেছিলো এ মেলায়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে তুরষ্কে ৪২৬২৬ টি বই প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৬ সালে ২৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪৪৪৬ বই প্রকাশিত হয়।

বই প্রকাশের ক্ষেত্রে ৮৮ % বৃদ্ধি পেয়ে আরবি ভাষা ১ম ,৭৭% বৃদ্ধি পেয়ে ইংরেজি ২য়, ২৭% বৃদ্ধি পেয়ে জার্মান৩য় ও ২৫% বৃদ্ধি পেয়ে তুর্কি ৪র্থ স্হানে রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ