মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

‘খোদা’ শব্দের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

‎আবু রায়েদ মুহাম্মাদ: আমরা অনেকেই আল্লাহ সুবহানাহু কে ‘খোদা’ বলে ডাকি। খোদা ফারসি শব্দ।

ব্যাকরণ অনুপাতে ইসমে ফায়েলে তারকিবি। মূলত ছিল খোদ+আ'= খোদা। খোদ অর্থ স্বয়ং, নিজে, আর আ' আমদন মাসদার (উৎসমূল) থেকে সেগায়ে আমর। খোদ আ মানে যে নিজে নিজেই আগমনকারী।

যেহেতু আল্লাহ স্বয়ং অস্তিত্বশীল, তাকে কেউ অস্তিত্ব দেয়নি, তাই তাঁকে ‘খোদা’ বলা হয়। পরে কছরতে এসতে’মাল (অধিক ব্যবহার) এর কারণে তাখফিফ (সহজতা) এর জন্য ‘খোদ’ ( ﺧﻮﺩ ) এর ওয়াওকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। হয়েছে খোদা বা ﺧﺪﺍ

(সূত্র: মাআরিবুত তালাবাহ)

আল্লাহকে ‘খোদা’ বলা যাবে কি না? এ ব্যাপারে উলামাগণ লিখেছেন, বলার অবকাশ আছে, তবে ‘আল্লাহ’ বলে ডাকাই শ্রেয়। কারণ ‘আল্লাহ’ শব্দ যে অর্থ, মর্ম ও আবেদন রাখে, সেগুলোর কিঞ্চিতও ‘খোদা’ শব্দে নেই।

(সূত্র: ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল, কিতাবুল ফাতাওয়া)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ