শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের ২৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? তানযীমুল আইম্মাহ ওয়াল উলামার উদ্যোগে দুই পর্বে সিরাত প্রতিযোগিতা নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি ৪৬৯, এখনও নিখোঁজ ১৪৬৮ আমিরে মজলিসের তত্ত্বাবধানে ৫০ হুইলচেয়ার ও ৫০ ভ্যান বিতরণ কুমিল্লায় খেলাফত মজলিসের উলামা ও সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা লখনৌয়ে ১২ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অধিবেশনের সমাপ্তি কিশোরগঞ্জের জামিআ আবু বকরে ভাষা-সাহিত্যের বিশেষ কোর্স শুরু 

‘খোদা’ শব্দের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

‎আবু রায়েদ মুহাম্মাদ: আমরা অনেকেই আল্লাহ সুবহানাহু কে ‘খোদা’ বলে ডাকি। খোদা ফারসি শব্দ।

ব্যাকরণ অনুপাতে ইসমে ফায়েলে তারকিবি। মূলত ছিল খোদ+আ'= খোদা। খোদ অর্থ স্বয়ং, নিজে, আর আ' আমদন মাসদার (উৎসমূল) থেকে সেগায়ে আমর। খোদ আ মানে যে নিজে নিজেই আগমনকারী।

যেহেতু আল্লাহ স্বয়ং অস্তিত্বশীল, তাকে কেউ অস্তিত্ব দেয়নি, তাই তাঁকে ‘খোদা’ বলা হয়। পরে কছরতে এসতে’মাল (অধিক ব্যবহার) এর কারণে তাখফিফ (সহজতা) এর জন্য ‘খোদ’ ( ﺧﻮﺩ ) এর ওয়াওকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। হয়েছে খোদা বা ﺧﺪﺍ

(সূত্র: মাআরিবুত তালাবাহ)

আল্লাহকে ‘খোদা’ বলা যাবে কি না? এ ব্যাপারে উলামাগণ লিখেছেন, বলার অবকাশ আছে, তবে ‘আল্লাহ’ বলে ডাকাই শ্রেয়। কারণ ‘আল্লাহ’ শব্দ যে অর্থ, মর্ম ও আবেদন রাখে, সেগুলোর কিঞ্চিতও ‘খোদা’ শব্দে নেই।

(সূত্র: ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল, কিতাবুল ফাতাওয়া)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ