শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা: আমিরে মজলিস ‘প্রাথমিকে ইসলামবিরোধী অপসংস্কৃতি চাপানোর চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে’ পবিত্র কাবার গিলাফ পরিবর্তনের সময় জানালো সৌদি কর্তৃপক্ষ আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান বিকেএমের প্রাথমিকে চারুকলা নয়, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি শিক্ষক ফোরামের সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলার শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে সাভারে বিক্ষোভ বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার জেনেভায় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্বাক্ষর ইউরোপে ৪ মার্কিন বিমান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সিলেটে দুই মাজারের কোটি টাকা তছনছ, হিসাব চাইলেন ডিসি সারওয়ার

বিএনপিতে খালেদা জিয়ার গ্রেফতারের আশঙ্কা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মামলাগুলো শেষের দিকে। এখন বেগম জিয়ার গ্রেফতার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বিএনপি নেতারা।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী ও নেতাদের কথায় সে আতঙ্ক ফুটে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

আজ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের বক্তব্যে সেই ভয় ও আতঙ্ক দেখতে পেয়েছেন অনেকে।

তিনি বলেছেন, ‘যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে বিরোধীদের সাজা দিতে চায়। কিন্তু কিছু সৎ বিচারপতি রয়েছেন, যাঁরা রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে ন্যায়বিচার করেন।’

আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের মতো মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় খন্দকার মাহবুব বিচারকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এ মামলা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে যুগে যুগে মানুষ বিচারককে মনে রাখবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে ইতিহাসের পাতায় মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে। জনগণই এর বিচার করবে।’

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া। এর পর বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের সামনে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী।

আইনজীবী আরো বলেন, ‘সরাসরি কোনো নথিপত্র ছাড়াই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। স্বাক্ষরবিহীন ঘষামাজা ছায়ানথি দিয়ে কাউকে সাজা দেওয়া যায় না। যদি বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিপক্ষ এর সুবিধা পেয়ে থাকে। যদি ছায়ানথি দিয়ে সাজা দেওয়া হয়, তাহলে সমস্ত দণ্ডবিধি, আইন পরিবর্তন হয়ে যাবে।’

বিচারকের উদ্দেশে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা বিচারকদের ক্ষমতা দিয়েছেন আল্লাহকে হাজির রেখে বিচার করবেন, এটাই প্রত্যাশা করি।’

তিনি জানান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের নামে এই ট্রাস্ট হয়েছিল। সেই ট্রাস্টেই টাকা জমা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া সেই টাকা উত্তোলন এবং ব্যয় করেননি; বরং ট্রাস্টের চার কোটি টাকা এখন লাভে পরিণত হয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ