শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য অটুট ছিল’ মোদির নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ ওয়াইসির পাতলী খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিলো মাদরাসা ছাত্র আফফানের প্রাণ সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকাল ইউক্রেনের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পুতিনের স্বীকারোক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত, তাহাফফুজে দ্বীন পরিষদের দুই শীর্ষ নেতার নিন্দা কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি আদ-দ্বীন থেকে রেফার রোগীদের চিকিৎসায় ৬ সরকারি হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশ

লাহোরে নরেন্দ্র মোদির বিমান থামানোয় ভারতকে গুণতে হবে ২.৮৬ লাখ টাকা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাশিয়া, আফগানিস্তান, ইরান ও কাতার যাওয়ার পথে লাহোরে থামাতে হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। এ জন্য পাকিস্তান ভারতকে ২.৮৬ লাখ টাকার বিল ধরিয়েছে। তথ্য জানার অধিকার আইনে জানা গিয়েছে এই খবর।

দেখা যাচ্ছে, ২০১৬-র জুন পর্যন্ত ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে করে ১১টি দেশে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী- নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, কাতার, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান, ফিজি ও সিঙ্গাপুর।

এমনই এক সফরের সময় ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫-য় তাঁকে অল্প সময়ের জন্য থামতে হয় লাহোরে- তাও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের অনুরোধে। তখন তিনি রাশিয়া ও আফগানিস্তান সফর সেরে দেশে ফিরছিলেন।

শরিফ তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা করেন, হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয় শরিফের রাওয়ালপিন্ডির বাসভবনে, পাক প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। কিন্তু বিমানের যাত্রাপথ পরিবর্তনের জন্য পাকিস্তান ১.৪৯ লাখ টাকার বিল ধরায় ভারতীয় হাই কমিশনকে।

এছাড়া ২০১৬-র ২২-২৩ মে ইরান যাওয়ার পথে যাত্রাপথ বদলের জন্য ৭৭,২১৫ টাকা ও সে বছরই ৪-৬ জুন কাতার যাওয়ার সময় একই কারণে ৫৯,২১৫ টাকার বিল দিয়েছে পাক সরকার। দুটি সফরেই মোদীকে যেতে হয় পাক ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে।

তথ্য জানার অধিকার আইনে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বায়ুসেনার বিমান ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে খরচ হয়েছে ২ কোটি টাকার মত। এই খরচ দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

বিল জমা দেয় যে দেশে প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন সেখানকার ভারতীয় দূতাবাস, তাতে ধরা থাকে জ্বালানির খরচ, জমি ছোঁয়ার পর খরচ, বিমানবন্দরের ভাড়া, কর্মী, হোটেল কর্মীদের ডিএ, খাওয়াদাওয়া ও আরও আনুষঙ্গিক খরচ।

এবিপি নিউজ/এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ