শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার নেপালে হড়পা বানে ভেসে যায় ব্যাংকের লকার, প্রায় কোটি টাকা লুটপাট বাবুনগর মাদরাসায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, দোয়া নিলেন হেফাজত আমিরের ‘প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষণ নেই, পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে’ হাম উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬৩

‘বাংলাদেশের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে সম্পর্ক খারাপ হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের একটি প্রভাবশালী গবেষণা প্রতিষ্ঠান অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করার পর বিএনপির এক নেতা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি যদি ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের শ্রদ্ধা না থাকে তাহলে দুটো দেশের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এর আগে এই প্রতিষ্ঠানটি তার এক প্রতিবেদনে বলেছে, আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দলের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনাকে ভারতে অনেকে উদ্বেগের সঙ্গে দেখেন। ভারতীয় গবেষকরা আরো বলছেন, এই নির্বাচন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারে। আবার বলা হয়েছে, নির্বাচনকে 'বিশ্বাসযোগ্য' করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

এর প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, তাদের বিশ্বাস জনগণের মনোভাব বিবেচনায় নিয়ে ভারতীয় নীতিনির্ধারকরা বরং তাদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন। তা না হলে দু'দেশের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। "তাদের যদি নিরপেক্ষতার অভাব থাকে তাহলে দু'দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন হবে না। এদেশের মানুষের প্রতি যদি ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের শ্রদ্ধা না থাকে তাহলে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"

তিনি বলেন, "যে দল বা গোষ্ঠী মানুষের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে তাদের ওপর আস্থা রেখে যদি ভারত এগুতে চায় তাহলে দু'দেশের সম্পর্ক ক্ষতির দিকে যাবে।"

কিন্তু আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি আমলের কথা বিবেচনায় নিলে প্রতিবেশী দেশের তরফ থেকে এধরনে চিন্তা ভাবনা আসাটা অমূলক কিছু নয়।

তিনি বলেন, "বিএনপি আমলে বাংলাদেশে উগ্র মৌলবাদের উত্থান ঘটেছিলো ও বিশেষ করে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছিলো। স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও উগ্র মৌলবাদীদের বিস্তার হলে তার প্রভাব প্রতিবেশীদের ওপর পড়বেই। সেটি বিবেচনায় নিয়ে কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করলে সেটা অমূলক নয়।"

মিস্টার আহমেদ বলছেন, ভারত বাংলাদেশকে তার প্রভাব বলয়ে রাখতে চায় আর এই প্রভাব বলয়ে রাখার যে চেষ্টা তার অন্যতম কারণ হলো আঞ্চলিক রাজনীতি- যেটি ওআরএফের বিশ্লেষণেও উঠে এসেছে-যেখানে বলা হয়েছে ভারত যদিও বাংলাদেশের বহু বছরের মিত্র, এখন চীন সেখানে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।বিবিসি

আরো পড়ুন- বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেয়ায় গভীর রাতে হল থেকে বহিস্কার ছাত্রিরা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ