বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কওমি শিক্ষার্থীদের ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরির দাবিতে ২১মে রাজধানীর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মাওলানা মামুনুল হকের বক্তব্যে অনেকের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

আওয়ার ইসলামে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনামটি ছিল- ‘রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীর উঠিয়ে কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ দিন’।

মাওলানা মামুনুল হকের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদে বলা হয়, ‘কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীরে আটকে আছে। স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে সীমান্তের এ বাধা উঠিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন ৷’

সংবাদের এ অংশটির অর্থ অনেকে ভিন্নভাবে নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি করছেন। অনেকের দাবি মাওলানা মামুনুল হক দেশের সীমানা উঠিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন। তার বক্তব্যে এ জাতীয় কোনো কথা নেই। তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র নীতির আলোকে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশি ছাত্রদের দেওবন্দে পড়ার আবেদন জানিয়েছেন দুই দেশের সারকারের কাছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে কোনো কোনো অনলাইন পোর্টাল ও সংবাদপত্রে বিভিন্নভাবে কথাটিকে ঘুরিয়ে সংবাদ করেছে। যার দরুন পাঠকমহল বিভ্রান্তিতে পড়ছেন।

এ নিয়ে মাওলানা মামুনুল হক তার নিজস্ব ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা ও নিজের অবস্থান পরিস্কার করেছেন।

তিনি বলেন, একটা বাক্যেরই কিছু অংশ (নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্টুডেন্টভিসার মাধ্যমে সীমান্তের বাধা অপসারণ) বাদ পড়ে গেল ৷ আর তদস্থলে বলা হল, অামি সীমান্তের প্রাচীর উঠিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছি ৷ সীমান্ত উঠিয়ে দেয়ার দাবি আর ভিসার মাধ্যমে বাধা অপসারণের দাবি কী করে এক হয়?

এটা হয়ত সংবাদকর্মীর বেখেয়ালী অনুলিখন হয়েছে ৷ কিন্তু সেটাকেই অনেকে অবলম্বন করেছেন ৷ কোনো কোনো সুহৃদবন্ধু এতে শংকিত হয়েছেন ৷ কেউ কেউ আশাহত হয়েছেন ৷ আবার কেউ কল্যাণকামিতার দৃষ্টিতে সমালোচনাও করেছেন ৷ তাদের সকলের শুকরিয়া আদায় করছি ৷

আমরা বিশ্বাস করি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাতৃভূমির যে সীমানাপ্রাচীর তৈরি হয়েছে, তার প্রতিটি ইট আমাদের অস্তিত্বের স্মারক! আর এভূমির প্রতি ইঞ্চি মাটি আমাদের জায়নামায!! সব কিছুতে স্বাধীনতার বিরোধিতা কিংবা পাকিস্তান পাকিস্তান গন্ধ শোঁকা যেমন ঠিক নয়, বিপরীতে দেওবন্দপ্রীতিকে ভারতপ্রীতি মনে করাও অযৌক্তিক!! বি.স

‘রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীর উঠিয়ে কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ দিন’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ