বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনের ওপর আছড়ে পড়লো ক্রেন, নিহত ২২ ‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে?

বিচারকে পবিত্র পেশা হিসেবে দেখেন সদ্য শপথ নেয়া অন্ধ বিচারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিচারক ইউসাফ সালিম। শপথ পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি বলেন, বিচার একটি পবিত্র পেশা। কারো চোখ রাঙানির ভয়ে এ পেশাটিকে কলুষিত না করার আহবান জানিয়েছেন সব বিচারকদের প্রতি।

লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইয়াওর আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণের পর ইউসাফ সালিম পাকিস্তানের আইন ও বিচারের ইতিহাসে একজন কিংবদন্তী বিচারক হিসেবে দেশটির সবশ্রেণির মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ইউসাফ সালিমের এ ব্যতিক্রমী ইতিহাস গড়ার পেছনে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

সালিমের যোগ্যতা ও অবস্থান যথার্থ থাকা সত্ত্বে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রথম পর্যায়ে তার নিয়োগ আটকে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতি মিয়া সাকিব নিসারের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি লাহোর হাইকোর্টকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বলেন।

লাহোর হাইকোর্ট সব দিক বিবেচনায় এনে সালিমকে এ মার্যাদাপূর্ণ পদে নিয়োগের সুপারিশ করেন।

সালিমের বাবা একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। জন্মের পর থেকেই তিনি দুই চোখে দেখতে পান না। তার চার বোনের দুজনই দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী।

উল্লেখ্য, তার বোন সায়মা সালিম ২০০৭ সালে দেশটির প্রথম দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে যোগ দেন।

আলেম সাংবাদিক কেন প্রয়োজন?

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ