শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

সুন্দর স্থাপত্যের নিদর্শন ইরাকের 'গ্রেট মস্ক অব সামারা'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ
আওয়ার ইসলাম

ইরাকের উত্তর দিকের একটি নগরের নাম সামারা। বাগদাদ থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে তাইগ্রিস নদীর পাড়ে সামারার অবস্থান। আর এই সামারাতেই রয়েছে এক সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’।

মসজিদের বিশেষত্ব হলো শামুকের মতো দেখতে মিনার, যার নাম ‘মালাউইয়া’। সর্পিল পথের ৫২ মিটার উঁচু এ মিনারটি প্রস্থে ৩৩ মিটার। ২০০২ সাল থেকে মার্কিন সেনারা ইরাকে আগ্রাসন চালানো শুরু করলে একসময় সামারাও চলে আসে তাদের দখলে এবং আশপাশের অঞ্চল পর্যবেক্ষণের জন্য তারা এই মসজিদের মিনারেই অবস্থান করত।

পরে বোমার আঘাতে, ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল মালাউইয়া মিনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক ১৭০ ফুট উঁচু মিনারটি টিকে যায়। মিনারটি কৌণিক গঠনে নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে শঙ্খিল প্যাঁচানো সিঁড়ি রয়েছে, যা দিয়ে চাইলে মিনারের ওপরে ওঠাও সম্ভব।

নবম শতকে আব্বাসীয় খলিফা আল মুতাওয়াককিলের সময় ইরাকের বিখ্যাত সামারার শহরে এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। এ মসজিদটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল ৮৪৮ সালে এবং পরে ৮৫১ সালে গিয়ে নির্মাণকাজ শেষ হয়।  মসজিদটি  ইউনেস্কার বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

আরও পড়ুন : ঐতিহ্যের রাজ সাক্ষী শাহ সুজা মসজিদ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ