বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান

পদ্মার ভাঙনে নড়িয়ায় গৃহ-সম্পত্তিহীন ৫ হাজার ৮১ পরিবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পদ্মা ভাঙন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত নিঃস্ব হয়েছে ৫ হাজার ৮১টি পরিবার। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও ৮ হাজার পরিবার। ভাঙনে শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর, মোক্তারের চর ইউনিয়ন ও নড়িয়া পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতি বছরই নদী ভাঙনের শিকার হয় আশপাশের মানুষ। কিন্তু এবার এক উপজেলায় এত পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার ঘটনা খুব কম। নড়িয়ায় এবার ৫ হাজার ৮১ পরিবার তাদের ভিটেবাড়ি সম্পত্তির সর্বস্বই হারিয়েছেন। মাথা গুজতে এখন চেয়ে থাকতে হবে পরের দিকে।

তবে পদ্মা তীরবর্তী শরীয়তপুরে প্রতিবছর ভাঙন হলেও এসব রোধে কার্যকর উদ্যোগ তেমন নেই বললেই চলে। পলে ছোট হয়ে আসছে এ জেলা। চলতি বছরের জুন মাস থেকে নড়িয়া এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছিল। তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

পদ্মার ভাঙনে জীবনের জয়গান

গণমাধ্যম ও স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কিভাবে সেকেন্ডের মধ্যেই একেকটি পাকা বাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে গভীর সমুদ্রে।

শরীয়তপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় এবং বেসরকারি এনজিও এসডিএস সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরই শরীয়তপুরে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে পদ্মা। তবে দুই বছর যাবৎ এর মাত্রা সবচেয়ে বেশি।

ত্রাণ সংস্থা থেকে বলা হয়, ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৮১টি পরিবার ভাঙনের শিকার হয়েছেন। প্রায় ২৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (যাদের ভেতর ৫৫ ভাগ দরিদ্র)। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮ হাজার একর জমি ও ২৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ তারেক হাসান বলেন, পদ্মা নদীর পানি না কমা পর্যন্ত তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ করা সম্ভব না। এ মুহূর্তে ভাঙন রোধ সম্ভব না হলেও বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে তীব্রতা কমানোর চেষ্টা চলছে।

বর্তমানে পদ্মার ভাঙনের তীব্রতা রোধে জুলাই মাসে সাড়ে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এ অর্থ ব্যবহার করে ১১ জুলাই থেকে ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়ে অব্যাহত আছে। এই খাতে নতুন করে আরও ২ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

সম্পূর্ণ ফিতে নিন অ্যাকাউন্টিং ও ইনভেস্টরি সফটওয়ার


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ