বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ল প্যান্ডেল সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মেক্সিকো সরকারের অস্থায়ী কাজের সুযোগ দেয়ার ঘোষণার পরও থেমে নেই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল।

অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঠেকাতে তাই মেক্সিকো সীমান্তে নতুন করে পাঁচ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে কার্যকারিতা ও আর্থিক দিক বিবেচনায় এর যৌক্তিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আগে এমন পদক্ষেপ 'রাজনৈতিক কৌশল' কিনা তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙ্গানি বা মেক্সিকো সরকারের অস্থায়ী নিরাপত্তার আশ্বাস-উপেক্ষা করেই হন্ডুরাস এবং গুয়াতেমালা থেকে প্রায় ৪হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি দল এখন পাড়ি দিচ্ছে উত্তর আমেরিকার পথ। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

ঢল ঠেকাতেই 'অপারেশন ফেইথফুল প্যাট্রিয়ট'এর অধীনে ৫,২০০ সৈন্য মাঠে নামাতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। যাদের উদ্দেশ্য টেক্সাস, অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া সীমানায় নিরাপত্তা জোরদার করা। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করবে এসব সেনা।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, অভিবাসন প্রত্যাশীদের আটক বা হয়রানির এখতিয়ার নেই এসব সৈন্যদের। কেবল সীমান্ত রক্ষীদের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারবে তারা। আর তাই শরণার্থী ইস্যুতে এ পদক্ষেপ মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা কিনা, এ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এপির সাংবাদিক এলিয়ট স্পাগাট বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের দমাতে সেনা হস্তক্ষেপ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ। তাছাড়া, যে সমস্ত এলাকায় এসব সেনা যাচ্ছে, সেখানে শরণার্থীদের আটককেন্দ্র বা কোর্টের সংখ্যা খুবই সীমিত। সেক্ষেত্রে এসব সৈন্যরা ঠিক কি করবে, বিষয়টা পরিষ্কার না।

নতুন করে সেনা মোতায়েনের পেছনে কত খরচ হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও এ সেনা নিয়োগে কত অর্থ খরচ হচ্ছে, তা এখনো জানা যায় নি।

তবে, এ বছরের শুরুর দিকে সীমান্তে নিয়োজিত দু'হাজার সৈন্য মোতায়েনের জন্য প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার গুণতে হয়েছে সেনাবাহিনীকে। নভেম্বরের ৫ থেকে ডিসেম্বরের ১৫ পর্যন্ত এসব সৈন্য সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন ঐক্যফ্রন্টের ১৬ নেতা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ