আওয়ার ইসলাম: অর্থনীতি বা পররাষ্ট্রনীতি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এবার অভিবাসী ইস্যুকেই তুরুপের তাস করেছে ক্ষমতাসীনরা।
জাতিগত বিদ্বেষ আর ভয় হয়ে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্রাম্প কার্ড’। অভিবাসীদের নিয়ে অপমানজনক বিজ্ঞাপন টুইট করে সমালোচনার মুখে পড়লেও অনেকে বলছেন, বর্ণবাদী ও অভিবাসী বিদ্বেষী এসব প্রচারণা ভোটারদের মনে দাগ কেঁটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী মেক্সিকোর লুইস ব্রাকামন্তেস ২০১৪ সালে খুন করেন দু'জন পুলিশ অফিসারকে। যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড হয় তার। বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিও বার্তায় ভেসে ওঠে সেই লুইসের মুখ।
ডেমোক্রেটদের প্রতি শ্লেষ জানিয়ে ভিডিও বার্তায় ফুটে ওঠে, 'আর কাকে কাকে এ দেশে ঢুকতে দেবে ডেমোক্রেটরা?' অভিবাসীদের ঢল সামলাতে মেক্সিকো সীমান্তে প্রয়োজনে ১৫ হাজার সৈন্য মোতায়েন করা হবে, এমন হুমকির মধ্যেই প্রকাশ পেলো এ ভিডিও।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রিপাবলিকানরা কোন রকম অপরাধ আর ঝামেলা ছাড়া সুরক্ষিত সীমান্ত চায়। অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানরা জন্মেই এদেশের নাগরিক হচ্ছে প্রতি বছর- পাগলের মতো এসব নীতি আমরা শেষ করতে চাই।
ভোটকে সামনে রেখে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প। কোনরকম রাখঢাক না রেখেই অভিবাসন ইস্যুতে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করছেন। এ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলেও ভয় দেখিয়ে জনগণকে দলে টানতে ট্রাম্পের এমন প্রচারণা যথেষ্ট কার্যকর বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক ইয়ান হ্যানেই লোপেজ বলেন, ট্রাম্পের রাজনীতির শুরুই হয়েছে মেক্সিকো থেকে মাদক ব্যবসায়ী আর ধর্ষকদের যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এমন প্রচারণা দিয়ে।
এ ধরনের প্রচারণার উপর ভর করেই ক্ষমতায় এসেছেন তিনি। এখনো এধরনের জাতিগত বিদ্বেষ ও ভয়ই তার কৌশল। এগুলো নিশ্চিতভাবে কাজও করছে।
বৃহষ্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের আশ্রয় প্রার্থনা প্রত্যাখান করা হবে। এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিএনএন
মহানবির কটূক্তিতে ফাঁসির আদেশ হওয়া আছিয়া বিবির বেকসুর খালাস!