শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

যে ১৪ নারী বিয়ে করা ইসলামে নিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আফিয়া আফরিন:

বিয়ে মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন পুরুষ ও একজন নারীর মাঝে ইসলাম নির্দেশিত বৈধ উপায়ে সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বংশ বৃদ্ধির বৈবাহিক সভ্যতা গড়ে ওঠে মুসলমানের। তবে যে কাউকে বিয়ে করার সুযোগ ইসলাম রাখেনি। কারণ ইসলাম সভ্য ও আদর্শের জীবনবাহী ধর্মের নাম ইসলাম। তাই ইসলাম মানবজাতির সভ্যতা ও আদর্শ রক্ষায় একজন পুরুষকে ১৪ নারীর যে কারোর সঙ্গে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ১৪ নারীর কারোর সঙ্গে একজন পুরুষের বিয়ে হারাম ও অবৈধ।

মানবজাতির সংবিধান আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনে সে ১৪ নারীর বিবরণ স্পষ্ট তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, তেমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে-

১. তোমাদের মা

২. তোমাদের মেয়ে

৩. তোমাদের বোন

৪. তেমাদের ফুফু

৫. তোমাদের খালা

৬. তোমাদের ভ্রাতৃকণ্যা

৭. তোমাদের ভগিনীকণ্যা

৮. তোমাদের সেসব মা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করাইছে

৯. তোমাদের দুধ-বোন

১০. তোমাদের স্ত্রীর মা

১১. তোমরা যাদের সঙ্গে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের মেয়ে যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

১২.  তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী

১৩. দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু। এবং

১৪. অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

দ্রষ্টব্য: সূরা নিসা : ২৩, তাফসিরে মাজহারি ২/২৫৪।

এইচএএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ