শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

যে ১৪ নারী বিয়ে করা ইসলামে নিষেধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আফিয়া আফরিন:

বিয়ে মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন পুরুষ ও একজন নারীর মাঝে ইসলাম নির্দেশিত বৈধ উপায়ে সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বংশ বৃদ্ধির বৈবাহিক সভ্যতা গড়ে ওঠে মুসলমানের। তবে যে কাউকে বিয়ে করার সুযোগ ইসলাম রাখেনি। কারণ ইসলাম সভ্য ও আদর্শের জীবনবাহী ধর্মের নাম ইসলাম। তাই ইসলাম মানবজাতির সভ্যতা ও আদর্শ রক্ষায় একজন পুরুষকে ১৪ নারীর যে কারোর সঙ্গে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ১৪ নারীর কারোর সঙ্গে একজন পুরুষের বিয়ে হারাম ও অবৈধ।

মানবজাতির সংবিধান আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনে সে ১৪ নারীর বিবরণ স্পষ্ট তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, তেমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে-

১. তোমাদের মা

২. তোমাদের মেয়ে

৩. তোমাদের বোন

৪. তেমাদের ফুফু

৫. তোমাদের খালা

৬. তোমাদের ভ্রাতৃকণ্যা

৭. তোমাদের ভগিনীকণ্যা

৮. তোমাদের সেসব মা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করাইছে

৯. তোমাদের দুধ-বোন

১০. তোমাদের স্ত্রীর মা

১১. তোমরা যাদের সঙ্গে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের মেয়ে যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

১২.  তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী

১৩. দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু। এবং

১৪. অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিবাহ করা হারাম।

দ্রষ্টব্য: সূরা নিসা : ২৩, তাফসিরে মাজহারি ২/২৫৪।

এইচএএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ