বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

মান বিবেচনায় ৪ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হচ্ছে রেস্তোরাঁ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রেস্তরাঁর মান বিবেচনায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করার উদ্যোগ নিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

ক্যাটাগরি চিহ্নিত হচ্ছে চারটি ভাগে। পরীক্ষামূলকভাবে দুই ক্যাটাগরিতে রাজধানীর ৫৭টি রেস্তরাঁর তালিকা করা হয়েছে বলে জানা যায়। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে কার্যকর হবে এই উদ্যোগ।

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রেস্তরাঁয় নিম্নমান ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভিযোগ পুরোনো। বিভিন্ন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালালেও পরিস্থিতির উন্নতি নেই। এমন অবস্থায় মান বিবেচনায় রেস্তরাঁগুলোর গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিকভাবে এ প্লাস ও এ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে রাজধানীর ৫৭টি রেস্তোরাঁকে। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯০ পাওয়া এ প্লাস ক্যাটাগরির ১৮টি রেস্তরাঁ পেয়েছে সবুজ স্টিকার।

আর ৮০ বা এর চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া ৩৯টি রেস্তরাঁ পেয়েছে নীল স্টিকার। এর বাইরে বি ও সি ক্যাটাগরির তালিকাও করা হবে। এসব রেস্তোরাঁ পাবে হলুদ ও কমলা রঙের স্টিকার।

প্রাথমিকভাবে ৫৭টি রেস্তরাঁর তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী জানান, হলুদ স্টিকারের রেস্তোরাঁকে মান উন্নয়নে তিন মাস সময় দেয়া হবে। আর কমলা বর্ণের রেস্তোরাঁ পাবে এক মাস। এ সময়ে অবস্থার উন্নতি না হলে বাতিল হবে লাইসেন্স। গ্রেডিং পদ্ধতিতে খাবারের মান, পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতার শর্ত বেঁধে দেয়া হয়েছে। একে স্বাগত জানিয়েছেন রেস্তরাঁ মালিকেরা।

রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা, পল্টন ও সচিবালয় এলাকার রেস্তরাঁর মান গত বছরের এপ্রিল থেকে পর্যবেক্ষণ করছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। গ্রেডিংয়ের আওতায় আসা রেস্তরাঁ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানাতে তৈরি হচ্ছে মোবাইল অ্যাপস। এছাড়া নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাবে তালিকা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ