আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী পদে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিল্লি যাবেন কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার (২৮ মে) এক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই একথা জানিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তারা আজই চিঠি পাঠিয়েছে। আমি অন্য কয়েক জন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি। এটা যেহেতু একটি সাংবিধানিক অনুষ্ঠান, তাই আমরা ঠিক করেছি যে, আমার যাওয়া উচিত”।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “শেষ মুহূর্তে জানতে পেরেছি। মাঝে শুধু কালকের দিনটাই রয়েছে। পরশু সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণ। ফলে যেতে হলে কালই যেতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার”।
প্রসঙ্গত, আগামী বৃহস্পতিবার ওই দিনই কলকাতা পৌরসভার উদ্যোগে একটি ইফতার পার্টিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ আয়োজিত হওয়ায় আপাতত ওই ইফতার পার্টি বাতিল করা হচ্ছে।
পৌরসভা সূত্রে খবর, ৩০ মে-র ইফতার পার্টি আয়োজিত হবে আগামী ৩ জুন। মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি চলে যাওয়ায় অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে পুরসভার তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ইফতার পার্টি পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রচার করা হবে।
কেন্দ্রে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সংসদীয় গণতন্ত্রের বড় অনুষ্ঠান বই কি। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তার সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য রাষ্ট্রপতিই সবাইকে নিমন্ত্রণ করেন। এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকেই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় এটা বরাবরেরই রীতি। এবারও মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে রামনাথ কোবিন্দের পক্ষ থেকেই নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপতি নিমন্ত্রণপত্র পাঠান বলেই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই যে শপথ অনুষ্ঠানে যান, তা সব সময়ে হয় না। কেন্দ্রে শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত হলেও বহু সময়ে দেখা গেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলের মুখ্যমন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকেন। এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষপর্যন্ত যাবেন কিনা তা নিয়ে দোলাচল ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এদিন সেই ধোঁয়াশা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
কেপি