মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

রাহুলকে যে কারণে বাড়ি ছাড়ার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সপ্তম লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের কারণে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী।

বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এখনও টানাপোড়েন চলছে প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলটির অন্দরমহলে। ঠিক সেই সময় দিল্লিতে তার দীর্ঘদিনের বাড়িটি খালি করার তোড়জোড় শুরু করেছে লোকসভা সচিবালয়। যাকে মোদি সরকারের চক্রান্ত বলছে কংগ্রেস।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি লোকসভা সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৫১৭টি ফ্ল্যাট ও বাংলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

যেগুলি খালি করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। ওই তালিকায় রয়েছে ১২ নম্বর তুঘলক লেনে থাকা রাহুল গান্ধীর সরকারি বাসভবনটিও।

২০০৪ সালে আমেঠি থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তার পর ১২ নম্বর তুঘলক লেনের ‘টাইপ-৮’ ক্যাটাগরির বাড়িটি বরাদ্দ করা হয়েছিল তার নামে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে বরাদ্দ করা ওই বাড়িটির পরিবর্তন করা হয়নি তার পর থেকেই।

২০১৪ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দেশের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কিন্তু তার পরও রাহুলের বাংলো বদলের চেষ্টা করেনি কেন্দ্রীয় সরকার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ