মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
তাদের জীবনে আমরাও ‘পিতা’ হয়ে হাজির হতে পারি ‘কার্যকর বিচারব্যবস্থা অনুপস্থিত থাকায় দেশে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে’ নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩

মরতে চেয়ে মোদিকে কৃষকের চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সমুদ্রের নোনা পানি কি খাওয়া যায়? ওই পানিতে তো ফসলও বাঁচে না! সরকারি আধিকারিকদের কাছে গিয়ে বার বার এই কথাটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন তিন মেয়ের বাবা। বুঝিয়েছিলেন, তাদের এলাকায় পানযোগ্য এক ফোঁটা পানি পাওয়া যাওয়া না। সে পানি পেতে চার কিলোমিটারেরও বেশি পথ পেরোতে হয়!

গ্রীষ্মের চড়া রোদে ওই দীর্ঘপথ পাড়ি জীবনকে বাজি রাখার সমান। ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের গরিব কৃষক পরিবারের এই আর্জিকে পাত্তা দেননি সরকারি আধিকারিকরা। তাই এবার আর অনুনয় বিনয় নয়, সোজা দেশটির দুইবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই চিঠি লিখেছেন ওই কৃষক।

তার সাফ দাবি, পানির অভাবে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাড়ির কাজের উপযুক্ত পানি তো দূরের কথা, মানুষের পান করার যোগ্য পানিও পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আর বেঁচে থাকতে চান না তারা। প্রধানমন্ত্রী চিঠি পড়ে অনুমতি দিলে তিনি সপরিবারে আত্মহত্যা করতে চান!

এই চিঠি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ওই কৃষকের কথায়, ‘এখানে পানি নোনতা, এখানকার মেয়েরা এই পানি পান করে বমি করে। শস্যও শুকিয়ে যাচ্ছে। পানি কিনে পান করার সামর্থ্য নেই। প্রায় চার কিলোমিটার হেঁটে গেলে পানযোগ্য পানি মেলে। কিন্তু বাচ্চা মেয়েদের পক্ষে প্রতিদিন সেখান থেকে পানি আনা সম্ভব নয়। সরকারি সব জায়গায় আবেদন জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। বাঁচার ইচ্ছে শেষ হয়ে গেছে। তাই মরার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেয়া হয়েছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ