রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

মরতে চেয়ে মোদিকে কৃষকের চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সমুদ্রের নোনা পানি কি খাওয়া যায়? ওই পানিতে তো ফসলও বাঁচে না! সরকারি আধিকারিকদের কাছে গিয়ে বার বার এই কথাটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন তিন মেয়ের বাবা। বুঝিয়েছিলেন, তাদের এলাকায় পানযোগ্য এক ফোঁটা পানি পাওয়া যাওয়া না। সে পানি পেতে চার কিলোমিটারেরও বেশি পথ পেরোতে হয়!

গ্রীষ্মের চড়া রোদে ওই দীর্ঘপথ পাড়ি জীবনকে বাজি রাখার সমান। ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের গরিব কৃষক পরিবারের এই আর্জিকে পাত্তা দেননি সরকারি আধিকারিকরা। তাই এবার আর অনুনয় বিনয় নয়, সোজা দেশটির দুইবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই চিঠি লিখেছেন ওই কৃষক।

তার সাফ দাবি, পানির অভাবে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাড়ির কাজের উপযুক্ত পানি তো দূরের কথা, মানুষের পান করার যোগ্য পানিও পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আর বেঁচে থাকতে চান না তারা। প্রধানমন্ত্রী চিঠি পড়ে অনুমতি দিলে তিনি সপরিবারে আত্মহত্যা করতে চান!

এই চিঠি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ওই কৃষকের কথায়, ‘এখানে পানি নোনতা, এখানকার মেয়েরা এই পানি পান করে বমি করে। শস্যও শুকিয়ে যাচ্ছে। পানি কিনে পান করার সামর্থ্য নেই। প্রায় চার কিলোমিটার হেঁটে গেলে পানযোগ্য পানি মেলে। কিন্তু বাচ্চা মেয়েদের পক্ষে প্রতিদিন সেখান থেকে পানি আনা সম্ভব নয়। সরকারি সব জায়গায় আবেদন জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। বাঁচার ইচ্ছে শেষ হয়ে গেছে। তাই মরার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেয়া হয়েছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ