রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সৌদি আরবকে অনুমতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি স্বর্ণযুগের অর্থনৈতিক উদ্ভাবন ও আধুনিক ব্যাংকিং সাংবাদিক ইলিয়াসের কুরুচিপূর্ণ প্রচারণার নিন্দা জানাল হেফাজতে ইসলাম তৃণমূলকে আরও সক্রিয় করার আহ্বান বিকেএম মহাসচিবের হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়ার কেন্দ্রীয় ‘আসাতিযা সম্মেলন’ ৬ আগস্ট মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের সম্পর্কের অনন্য অধ্যায় সংস্কার নয়, মূল টার্গেট মাদরাসাব্যবস্থাকেই আঘাত করা ‘শাপলা শহীদদের লাশ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল, এজন্য অনেকের সন্ধান পাওয়া যায়নি’ প্যারিসের গ্র্যান্ড মসজিদের শতবর্ষ উদযাপন

ভারতে ৫ বছর থাকলেই নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছে অমুসলিমরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিমরা মাত্র পাঁচ বছর শরণার্থী হিসেবে থাকলেই নাগরিকত্ব পাবেন ভারতের। তবে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে তাহলেই নাগরিকত্ব পাবেন।

গত সোমবার লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল উপস্থাপন করা হবে। ১৯৫৫ সালের মূল আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে হলে এ দেশে থাকতে হবে ১১ বছর।

কিন্তু প্রথম মোদি সরকারের আমলে আনা বিলটিতে তা কমিয়ে ছয় বছর করা হয়। এবার কমানো হলো আরও এক বছর।

নতুন বিলে নিঃশর্ত নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রমাণে কাগজপত্রের ঝামেলা যাতে না থাকে সে জন্য শুরু থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দাবি জানায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

সংশোধিত আইনে কোনো শরণার্থী অমুসলিম হলফনামা দিলেই তাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। কিন্তু কোনো মুসলিম যদি নিজেকে হিন্দু বা পার্সি বা বৌদ্ধ হিসেবে দাবি করেন তা হলে তা আটকানোর উপায় রয়েছে কি না, তা নিয়ে নীরব বিজেপি শিবির।

তবে বিজেপির তিঙ্ক ট্যাঙ্ক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বিলটি আগে আসুক। তা হলেই সব স্পষ্ট হবে। যে প্রশ্নগুলো উঠছে বিলটির বিস্তারিত আলোচনায় নিশ্চিয়ই উঠে আসবে।

নতুন বিলে বালা হয়েছে ইনার লাইন পারমিট ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত এলাকায় ওই আইন প্রযোজ্য হবে না। একই দেশে নাগরিকত্বের প্রশ্নে কেন দুই ধরনের নিয়ম আনা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূলের রাজ্য সভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন।

তার যুক্তি, আগের অধিবেশনে এক দেশ এবং সংবিধানের যুক্তি দেখিয়ে কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহার করা হলো। আর পরের অধিবেশনে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রশ্নে দ্বৈত নীতি নিচ্ছে সরকার। পুরোটাই হচ্ছে রাজনৈতিক ফায়দার স্বার্থে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ