বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান চান হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসন্ন মহান বিজয় দিবস থেকে সর্বস্তরে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করার জন্য অভিমত দিয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে এটি কার্যকর করা উচিত বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছেন হাইকোর্ট। তবে আগামী ১৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি রিট মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও এফ আর এম নাজমুল আহসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ অভিমত দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় অন্য আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—আব্দুল মতিন খসরু, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন প্রমুখ।

আদালতে রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ। তিনি নিজেই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

ড. বশির আহমেদের করা এক রিট আবেদনে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সে সময় তিন দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ, আইন ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এরপর ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর এক আদেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে সরকারের বক্তব্য ও রাষ্ট্রীয় নীতি জানতে চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় দুই বছর আগে জারি করা রুলের ওপর গত ৪ ডিসেম্বর শুনানি হয়।

রিট আবেদনের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য জানতে চান আদালত। জবাবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমরা এই রিট আবেদনকে সমর্থন করি। আমাদের সংবিধানে রাষ্ট্রীয় ধর্ম, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় প্রতীকসহ বিভিন্ন জাতীয় বিষয় নিয়ে বলা হয়েছে। তবে জাতীয় স্লোগান নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা নেই। তাই আমাদেরও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট হওয়া দরকার।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে ড. বশির বলেন, ‘জয় বাংলা’ কোনো দলের স্লোগান নয়। এটি আমাদের জাতীয় প্রেরণার প্রতীক। যদি আদালত এই রিট আবেদনের পক্ষে রায় দেয় তাহলে সব সরকারি কর্মকর্তা এবং সাংবিধানিক কর্মকর্তাদের বক্তব্যের শুরুতে ও শেষে বাধ্যতামূলকভাবে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে। অভিমতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে স্কুল, কলেজের অ্যাসেম্বলির শুরুতে ও শেষে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহার করতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ