শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার

সভাপতি হতে না পেরে মাদরাসার অধ্যক্ষকে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: লক্ষ্মীপুরে গন্ধব্যপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হতে না পেরে মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহা. ওমর ফারুককে জনসম্মুখে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় দেয়া হয়েছে। এমন অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও  জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহিমের বিরুদ্ধে।

আজ শনিবার দুপুরে মান্দারী বাজারের একটি দোকানের ভেতর তিনি অধ্যক্ষকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে জানা গিয়েছে।

তবে মিজানুর রহিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি অধ্যক্ষকে মারধর করিনি। তাকে ধমক দিয়েছি মাত্র।

জানা যায়, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করা হয়। তারমধ্যে মিজানুর রহিমের নামও ছিলো। কিন্তু গত আগস্ট মাসে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবকে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়। পরে মিজানুর রহিমকে সভাপতি করতে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি শাহজাহান কামাল একটি ডিও লেটার দেন।

লেটার পেয়ে মিজানুর রহিমকে সভাপতি করে একটি তালিকা ২২ ডিসেম্বর মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে জমা দেয়া হয়। এখনও কমিটিটি অনুমোদন হয়ে আসেনি। এরমধ্যেই সভাপতি হতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার দুপুরে অধ্যক্ষ ওমর ফারুককে মান্দারী বাজারে মিজানুর রহিম এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারেন।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ ওমর ফারুক বলেন, এমপির ডিও লেটার পেয়ে গত ২২ ডিসেম্বর মিজানুর রহিমকে সভাপতি করে একটি তালিকা মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে জমা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও শিক্ষাবোর্ড থেকে সেটি অনুমোদন হয়ে আসেনি। এর আগেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার গায়ে হাত তুলেছেন। আমি ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহিম বলেন, আমাকে না জানিয়ে সভাপতি লিস্টে আমার নাম উল্লেখ করে এবং পরে সভাপতি নির্বাচিত না করে আমাকে স্রেফ অপমান করা হয়েছে। এজন্য আমি অধ্যক্ষকে ধমক দিয়েছি। কিন্তু তাকে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়।

-ওএএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ