মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘গত ১৬ বছরে দেশে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, দুর্নীতিবাজদের বিচার ধীরে ধীরে হবে’ সাংবাদিকদের একাংশকে কুত্তার মতো পেটানো দরকার: এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় কানিজ নেওয়াজ মাদরাসায় ১১ পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ মসজিদুল হারামে তাওয়াফ-সাঈতে বৈদ্যুতিক যানের ভাড়া কত যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ইসলামের পথে বন্দীরা, কী বলছে গবেষণা? আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহি ইজতেমা সফল করতে কেরানীগঞ্জে আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় এশার জামাতে তৃতীয় রাকাতের সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না তিনি নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিলে পীর সাহেব চরমোনাই ‘শিগগিরই প্যারিস মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর হবে’, মন্তব্য ট্রাম্পের

মুসলিমদের উপর অত্যাচারে গণতন্ত্র সূচকে ১০ ধাপ নীচে নামল মোদির ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।।

নানান বিরুধে লাগাতার মুসলিমদের উপর অত্যাচার নির্যাতনে গণতন্ত্র সূচকে ১০ ধাপ নীচে নেমে এসেছে মোদি সরকারের ভারত।

দ্যা ইকনমিস্ট এর বরাতে জানা যায়, তাদের বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র জরিপ ‘ইকনমিস্ট ইন্টেলিজেন্ট ইউনিট’ (Economist Intelligence Unit) সমীক্ষায় বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে ১০ ধাপ নীচে নেমে এসেছে ভারত। তার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, নাগরিক স্বাধীনতার অধিকার খর্ব।

সমীক্ষায় আরো বলা হয়, মোদী সরকারের জমানাতেই উঠেছিল অসহিষ্ণুতার অভিযোগ। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, নাগরিকপঞ্জির মতো বিতর্কিত বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত গোটা দেশ। এ বিষয়গুলো গণতন্ত্র সূচককে নীচে নামিয়ে দিয়েছে।

দ্য ইকনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগ ইকনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট তৈরি করেছে বিশ্ব গণতন্ত্র সূচক। ওই সূচকে ১০ ধাপ নেমে ৫১ নম্বরে স্থান হয়েছে ভারতের। রিপোর্টে মাপকাঠি, দেশের বহুত্ববাদ, সরকারের কাজকর্ম, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নাগরিক অধিকার।

২০০৬ সালে প্রথম রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল তারা। ২০১৭ সালে ভারতের স্কোর ছিল ১০-এ ৭.২৩। তার আগের বছর ১০-এ ৭.৮১। এবার সেটাই কমে হয়েছে ১০-এ ৬.৯। বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে গড় ১০-এ ৫.৪৪। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিশ্বের বৃহত্ অংশের মানুষ এখনও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার আওতায়।

দ্য ইকনমিস্টের রিপোর্টের মতে,গণতন্ত্র সূচকে ভারতের পিছলে পড়ার প্রধান কারণ সে দেশে নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে। ডিসেম্বরে ভারতীয় সংসদে পাস হয়েছে বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। তার জেরে ২০২০ সালের সূচকেও নিম্নগামী হবে ভারত।

ইকনমিস্টের রিপোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, জম্মু-কাশ্মীর। ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের পর থেকে ওই রাজ্যে প্রধান বিরোধীরা, এমনকি তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ৫ মাস ধরে গৃহবন্দি রয়েছেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ১০০ দিন ধরে বন্ধ থাকা ইন্টারনেট পরিষেবা। মোতায়েন রয়েছে বিশাল সেনাবাহিনী।

গণতন্ত্র সূচকে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে। তারপরেই আইসল্যান্ড। সুইডেন ও নিউজিল্যান্ড রয়েছে তৃতীয়-চতুর্থ স্থানে। পাঁচে ফিনল্যান্ড। একেবারে শেষে ১৬৭ নম্বরে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। বাংলাদেশ রয়েছে ৮০ তম স্থানে। ১০৮ নম্বরে পাকিস্তান। সূত্র: দ্যা নেশন

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ