বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীর বন্দিদশার মেয়াদ বাড়ল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের (জম্মু-কাশ্মীর) সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীর গৃহবন্দি থাকার মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে নয়াদিল্লী প্রশাসন। বিতর্কিত ‘আটক আইনের’ মাধ্যমে তাদের এই মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহ গত ৫ আগস্ট থেকে গৃহবন্দি আছেন। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তাদের মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের মুক্তি মিলছে না।

কাশ্মীরের এই দুই নেতাকে কবে মুক্তি দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি ভারত সরকার। তবে বিতর্কিত ‘পাবলিক সেফটি আইন’ অনুযায়ী কোনো অভিযোগ ছাড়াই যে কোনো ব্যক্তিকে ২ বছরের জন্য আটক রাখা যায়।

মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহর বিরুদ্ধেও সেটিই কার্যকর হতে যাচ্ছে। সে হিসাবে আরও অন্তত ২ বছর আটক রাখা হতে পারে এই দুই নেতাকে। ভারত সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সমালোচকরা বলছেন, কাশ্মীরের পাবলিক সেফটি আইনটি নিপীড়নমূলক আইন। এই আইনের মাধ্যমে বিজেপি সরকার হাজার হাজার মানবাধিকার কর্মী, স্থানীয় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে আটকে রেখেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে ভারত সরকার। তখন থেকেই কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাহকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ