বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

ডিআইজি মিজানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেইসঙ্গে আগামী ৩ মার্চ গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।

মামলায় চার্জভুক্ত আসামিরা হলেন- ডিআইজ মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগ্নে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় এক সময় কর্মরত থাকা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান।

এর মধ্যে মিজান ও তার ভাগ্নে বর্তমানে করাগারে আছেন। তার স্ত্রী ও ছোট ভাই পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর প্রেক্ষিতেই আদালত আজ রোববার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন কমিশনের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা অবৈধভাবে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

পরে ওই বছরের ১ জুলাই আত্মগোপনে থাকা মিজান হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে হাইকোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এর পরদিন ২ জুলাই আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর দুইদিন পর ৪ জুলাই তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান একই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ