আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর ভূমিকা হ্রাস করতে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চির চেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়লো দেশটির পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপে। আটকে দেয়া হলো তার প্রস্তাবনা।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রকশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এনএলডি সমর্থিত সাংবিধানিক সংশোধনীর কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে ভট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় মিয়ানমারের পার্লামেন্টে। ভোটে এ সংশোধনীগুলো প্রত্যাখ্যাত হয়।
এনএলডি অনেকদিন ধরেই ২০০৮ সালের সামরিক জান্তা রচিত সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এয়াবারও তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হলো। যার মধ্যদিয়ে সামরিক শক্তির কাছে দেশটির কথিত গণতন্ত্রের অবরুদ্ধ রুপটিই যেন আরো একবার সুটে উঠলো।
ভোটে সংশোধনীগুলো পাস হলে এর আওতায় ১৫ বছরের মধ্যে সামরিক বাহিনীর এমপিদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমত এবং যে ধারায় প্রতিরক্ষা খাতে ‘কমান্ডার ইন চীফ’কে সব সশস্ত্র বাহিনীর ‘সুপ্রিম কমান্ডার’ বলা হয় সে ধারার বিলুপ্তি ঘটত।
সংবিধানে পার্লামেন্টের সামরিক সদস্যদের জন্য বিচারবিভাগে এক চতুর্থাংশ আসনের নিশ্চয়তা দেওয়া আছে। ওই সংবিধানে কোনো পরিবর্তন আনতে গেলে দুইতৃতীয়াংশের বেশি আইনপ্রণেতার অনুমোদন লাগবে।
এ ব্যাপারে সু চির দল এনএলডি’র মুখপাত্রকে ফোন করে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি এবং সরকারের মুখপাত্রও প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি, এমনটাই জানিয়েছে রয়টার্স।
-এটি