বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

চলতি মৌসুমে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ক্রয় করবে সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলতি বোরো মৌসুমে সরকার ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ অর্থাৎ ক্রয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা ধান সংগ্রহ করার ঘোষণা দিয়েছি। এখন আট লাখ মেট্রিক টন ধান, ১০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আতপ এবং ৮০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ সর্বমোট ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ করবে সরকার। তাতে আমাদের ভবিষ্যতে আর কোনো অভাব হবে না। আগামী তিন বছর অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। যাতে আমাদের দেশের মানুষ কোনো কষ্ট না পায়।

তিনি বলেন, সামনে রোজা আসছে। এজন্য ১০ টাকা কেজিতে ওএমএস চাল বিক্রি করছি। সেখানে আরও ৫০ লাখ মানুষের তালিকা করা হবে। প্রায় ৫ কোটি মানুষ খাদ্য সহায়তা পাবেন। ধান ওঠা শুরু করেছে। সুতরাং খাদ্যে কোনো ঘাটতি পড়বে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম এপ্রিল মাস আমাদের জন্য কষ্টের হবে। এজন্য এই মাসে সবাইকে সাবধানে থাকার কথা বলেছিলাম। আমাদের সংক্রমণও বেড়ে গেছে এপ্রিল মাসে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে দেড়শ'র মতো বাংলাদেশি মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও বাংলাদেশি ডাক্তারসহ অনেকে মারা গেছেন। সে তুলনায় আমরা অনেক নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এজন্য আমরা যদি আর একটু সচেতন হই তাহলে আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তারপরেও জীবন থেমে থাকবে না।

‘যারা কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত আছেন, যেমন যারা ধান কাটবেন তাদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। করোনা পরবর্তী বিশ্বে দুর্ভিক্ষ কিংবা খাদ্য সংকট আসতে পারে। এজন্য এক টুকরো জমিও যেন খালি না থাকে। পাশাপাশি যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যেন তাদের কাজ চালু রাখেন। আমরা ইতোমধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছি। কৃষিখাতে আরও বেশি প্রণোদনা দিয়েছি। এজন্য আমরা চাই, উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা করে দিতে পারি। এজন্য হাট বসার ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় হাট বসার ব্যবস্থা করেছি।’

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ