বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ।। ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
পলিথিন কারখানায় অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল শায়খ আহমাদুল্লাহর আমন্ত্রণে আস-সুন্নাহ পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী নুর দুই বিভাগে ভারী বর্ষণ, সারাদেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আভাস  বিশ্ববিদ্যালয় ভেঙে শিক্ষার্থীদের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না: মাহমুদ মাদানী একাধিক বিয়ের আগে কিছু বিষয় ভাবা জরুরি ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ: ঘরে বসেই মিলবে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সেবা ‘মাওলানা ফজলুর রহমানের বক্তব্যে সমর্থন নেই মুত্তাহিদা মাদারিস কাউন্সিলের’ নবীজি (সা.) যেভাবে খাবার খেতেন প্রাথমিক শিক্ষকদের উপজেলা পর্যায়ে বদলির কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

লিবিয়ায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তুরস্ক ও মিশর!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিশরীয় পার্লামেন্ট হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ দেশটির সামরিক বাহিনীকে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ক একটি গোপন সেশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটি। সেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য উপস্থিতি থাকবেন এবং এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বিপক্ষে ভোট প্রদান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের উপসচিব আল-সাইদ আল-শেরিফ।

তিনি বলেন, লিবিয়ায় তুর্কি আগ্রাসন থামাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মিশরের সেনারা লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করবে- এ বিষয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের অধিকাংশ সদস্য রাজি হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, মিশরের জনগণ লিবিয়ার সঙ্গে আছে। তারা সেখানে তুর্কি হস্তক্ষেপ পছন্দ করছে না। কিন্তু সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে হলে আমাদের সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে।

মিশরীয় হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের এই উপসচিব বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যরাও এ সিদ্ধান্তের কোনো বিরোধিতা দেখাননি। সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে উত্থাপিত প্রস্তাবে তাদের সমর্থন জরুরি। কারণ মিশর তার সংবিধান অমান্য করে সামরিক বাহিনীকে অন্য দেশে যুদ্ধের জন্য প্রেরণ করতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী সেই পদক্ষেপের জন্য সংসদ সদস্যদের সমর্থন প্রয়োজন।

লিবিয়ায় ক্ষমতার লড়াইয়ে দীর্ঘদিন গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ও লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) লড়াই ও সংঘাত চালিয়ে আসছে। জিএনএকে সমর্থন করছে তুরস্ক। অন্যদিকে এলএনএকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও রাশিয়া।

এদিকে, মিশরের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, মিশর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলে লিবিয়ায় মুখোমুখি হবে দুটি মুসলিম দেশ, অর্থাৎ তুরস্ক ও মিশর। আর এ থেকে ফায়দা নিতে পারে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ