বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

ফের বিএসএমএমইউতে গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি কিটের পরীক্ষা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আবারও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েই (বিএসএমএমইউ) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত করোনা অ্যান্টিবডি কিটের তুলনামূলক এক্সটারনাল ভেলিডেশন (Comparative External Validation) পরীক্ষা হবে।

এ বিষয়ে গণস্বাস্থ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে , তারা কিটের মান উন্নয়নের জন্য রি-এজেন্ট বা মালামাল আমদানির এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পেয়েছেন। এখন মালামাল এলেই তারা কাজ শুরু করবেন। এরপর পুনরায় বিএসএমএমইউতে কিটের এক্সটারনাল ভেলিডেশন পরীক্ষা করানো হবে।

ফলে, আবারও গণস্বাস্থ্যের বাড়তি ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে। একইসঙ্গে ২ মাসের বেশি সময়ও লাগবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবক দলের প্রধান ডা. বিজন কুমার শীল বলেন, আগেও কিটের এক্সটারনাল ভেলিডেশন হয়েছিল বিএসএমএমইউতে। এখন নতুনভাবে আবারও হবে। এটার প্রক্রিয়া চলছে। সেজন্য কিছু রি-এজেন্ট দেশের বাইরে থেকে আনার কথা। সেটা আমদানির এনওসি পেয়েছি। সেটা এলেই কাজ শুরু হবে। আমরা আবারও বিএসএমএমইউতে করবো। যেহেতু তারা এই টেস্টটা ভালো জানেন। তাদের স্যাম্পলও আছে। এখন শুধু স্যাম্পলগুলোকে অ্যাডজাস্ট করতে হবে।

এর আগে গত ১৬ জুন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তৈরি অ্যান্টিবডি কিটের পরীক্ষা করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে রিপোর্ট জমা দেয় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। সেখানে কিটের সেন্সেটিভিটি ৯০ শতাংশের নিচে এসেছিল। তাই তখন নিবন্ধনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

গণস্বাস্থ্য কিট প্রকল্পের সমন্বয়ক ডা. মুহিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশীয় শিল্প এবং বিনিয়োগকে আকর্ষণ করতে। অথচ ওষুধ প্রশাসন এখন পর্যন্ত কিট নিয়ে তিনবার নিয়ম বদলিয়েছে। স্থানীয় শিল্পের বিকাশে বাধা দিতেই বার বার আইন পরিবর্তন করছে তারা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ