বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

এ বছর হচ্ছে না পিইসি পরীক্ষা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনার কারণে এ বছর পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রস্তাবনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দেয়ার পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন। এসময় তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সারসংক্ষেপ এখনও না আসলেও সিদ্ধান্ত এসেছে।

কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণি ও এবতেদায়ী পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। বিদ্যালয় খোলার পর স্কুলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হবে শিক্ষার্থীদের। স্কুল কর্তৃপক্ষই পরীক্ষার মডেল ঠিক করবেন, অর্থাৎ এমসিকিউ নাকি লিখিত প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। এছাড়া, পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষাও হবে না এ বছর। তবে থাকবে উপবৃত্তি। আর স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

এর আগে, গত রবিবার (২৩ আগস্ট) সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

তার আগে, গত বুধবার (১৯ আগস্ট) প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন জানিয়েছিলেন, এ বছর পিইসি বা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে নেয়া হবে না, স্কুলে স্কুলে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে-এমন প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবনায় আরো ছিলো, সব ক্লাসের উপবৃত্তি চালু থাকবে এবং সিলেবাস শেষ না হওয়ায় আগামী বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে হবে পিইসি ও স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা।

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্য নিরাপত্তামূলক ৫০টির বেশি নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা, হাত পরিষ্কার করা, থার্মোমিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করাসহ বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনায় করণীয় বিষয়ক বিভিন্ন নিদের্শনা আছে। যা সবাইকে মেনে চলতে হবে।

করোনার কারণে ১৭ই মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম খুব একটা সচল রয়েছে বলা যায় না, যদিও অনলাইন ও টিভি মাধ্যমে ক্লাস চলছে। এবার প্রাথমিক ও এবতেদায়ী পর্যায়ে শিক্ষার্থী প্রায় দেড় কোটি। আর পিইসি পরীক্ষায় আনুমানিক প্রায় ২৯ লাখ শিক্ষার্থীর অংশ নেবার কথা ছিলো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ