শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলার রায় পেতে লাগবে কয়েক বছর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গা গণহত্যার দায়ে গত বছর আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ গাম্বিয়া। এই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় পেতে কয়েক বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে গত বছরের ১১ই নভেম্বর আইসিজেতে মামলা দায়ের করে গাম্বিয়া। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের পিস প্যালেসে গত বছরের ১০ থেকে ১২ই ডিসেম্বর মামলার শুনানি চলে।

এই মামলায় মিয়ানমারের নেতৃত্ব দেন দেশটির সরকার প্রধান অং সান সু চি। সেখানে তিনি গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন। আর বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।

২৩শে জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে তাৎক্ষণিকভাবে গণহত্যা, নির্যাতন বন্ধ করাসহ মিয়ানমারের প্রতি চারটি নির্দেশনা দেয় আইসিজে। অন্তবর্তী আদেশ ঘোষণার পর সব অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমার। শুরুতে অন্তর্বর্তী আদেশ প্রত্যাখ্যান করলেও শিগগিরই আইসিজেকে সহায়তা শুরু করে দেশটি।

সে অনুযায়ী বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যেই গত ২২শে মে আইসিজেতে প্রথমবারের মত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেয় মিয়ানমার। রয়টার্স জানায়, অন্তবর্তী আদেশ জারির পর আদেশ বাস্তবায়নে চার মাসের মধ্যে মিয়ানমার যেসব ব্যবস্থা নিয়েছে প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এতে ঠিক কী বলা হয়েছে তা আইসিজে বা মিয়ানমার কেউই জানায়নি। মিয়ানমারকে দ্বিতীয় অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে হবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে।

আইসিজেতে এ মামলার পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারকে প্রতি ছয় মাস পর পর আদালতে অন্তর্বর্তী আদেশ পালন বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

এছাড়া, ৩০শে জুন মিয়ানমার সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাখাইনে গণহত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সামরিক আদালত তাদের শাস্তি ঘোষণা হয়েছে।

তবে এসব সেনা কর্মকর্তার পরিচয়, তারা কী ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল বা তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে- তার কোনটাই উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া গণহত্যার আলামত পাওয়া রাখাইনের মুয়াং নু এবং চুত পাইন গ্রামে হওয়া অপরাধ সামরিক আদালত তদন্ত করে দেখবে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।

এদিকে ওই মামলার বাদী গাম্বিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিজে দেশটিকে অভিযোগ উপস্থাপনের জন্য তিন মাস সময় বাড়িয়ে ২৩শে অক্টোবর ঠিক করেছে। একইভাবে মিয়ানমারও যুক্তি তুলে ধরতে প্রায় ছয় মাস অতিরিক্ত সময় পাবে। আইসিজেত গাম্বিয়ার করা এ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় পেতে অপেক্ষা করতে হতে পারে কয়েক বছর।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ