বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

ওয়াহিদা হত্যাচেষ্টা মামলার মূল আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলা মামলার মূল আসামি আসাদুলের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রোববার দুপুরে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান সরকারের আদালতে উপস্থাপন করা হয় আসাদুলকে। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ইমাম জাফর এসময় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে, আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শনিবার এ মামলাটি ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের কাছ থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার দুই আসামি নবীরুল ও সান্টুকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই দুই আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রাত থেকেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

এর আগে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ঘোড়াঘাট থানার পরিদর্শক তদন্ত মমিনুল ইসলাম, আর এখন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ইমাম জাফর।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসার ভেতরে ঢুকে তার বাবাসহ তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্ত করে র‌্যাব। বুধবার রাতেই এ ঘটনায় ওয়াহিদা খানমের ভাই বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার ভোরে প্রথমে আসাদুল হক ও পরে নবিরুল ও সান্টু নামে মোট তিন জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হামলাকারীদের সহযোগী সন্দেহে আরও তিনজনকে আটক করেছে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ। এরা হচ্ছে ইউএনওর ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামি আসাদুল ইসলামের ভাই আশরাফুল ইসলাম শাওন, ইউএনওর বাসভবনের মালি সুলতান কবির ও মামলার অন্যতম আসামি সান্টু কুমারের আত্মীয় শ্যামল কুমার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ