বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

এসপিকে আসামি করতে সিনহার বোনের আবেদন খারিজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মুহা. রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেনকে আসামি করার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে এ আবেদন করেন সিনহার বড়বোন ও সিনহা হত্যা মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আবেদনটি আমলে নিয়ে শুনানি শেষে খারিজ করে দেন বিচারক।

একই সঙ্গে আবেদনটি নামঞ্জুর করার একটি পর্যালোচনাও (অবজারভেশন) দিয়েছেন বিচারক তামান্না ফারাহ। এমনটি জানিয়েছেন জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, মেজর সিনহা হত্যা মামলার তদন্তকাজে ব্যাঘাত সৃৃষ্টি করেই চলেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। তিনি সিনহা হত্যা মামলার আসামি বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকতকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। আসামিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি। অর্থাৎ এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন তার দাফতরিক কার্যক্ষমতা আসামিদের পক্ষে কাজে লাগাচ্ছেন। তাকে মেজর সিনহার হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি ফৌজদারি আবেদন করেছি। সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার স্বার্থে তাকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছি আমরা।

মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বলেন, এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন ঘটনার শুরু থেকেই আসামিদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মেজর সিনহার মানহানি করেছেন। ঘটনার পরদিন তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, মেজর সিনহার গাড়িতে তিনি ইয়াবা ও মাদকদ্রব্য পেয়েছিলেন। একজন পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি এটি বলতে পারেন না। তিনি তদন্তকাজে প্রতিনিয়ত বাধা সৃষ্টি করে চলেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের ফেরার পথে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এরপর গত ৫ আগস্ট টেকনাফ থানার পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া। এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে তদন্ত সংস্থা র‌্যাব। তাদের মধ্যে ১২ জন ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ